কামিল মাস্টার্স পরীক্ষা ২০২৩: উসুলুল হাদীস (৫০২১০৩) প্রশ্ন ও সমাধান – Kamil Masters 2023 Usulul Hadith (502103) QnA

Join Our Telegram Channel
দ্রুত নতুন বই পেতে যুক্ত থাকুন
Join Now
admin
কামিল মাস্টার্স পরীক্ষা ২০২৩: উসুলুল হাদীস (৫০২১০৩) প্রশ্ন ও সমাধান – Kamil Masters 2023 Usulul Hadith (502103) QnA
Join Our WhatsApp Channel
দ্রুত নতুন বই পেতে যুক্ত থাকুন
Join Now
📋 সূচিপত্র (Table of Contents)

اختبار الكامل الماجستير (مدة سنة واحدة)، لعام ٢٠٢٣م

[কামিল মাস্টার্স (১ বছর মেয়াদী) পরীক্ষা, ২০২৩]

الحديث والدراسات الإسلامية [আল-হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ]

علوم الحديث [উসুলুল হাদীস]

বিষয় কোড: 502103 | সময় : ৪ ঘণ্টা | পূর্ণমান : ১০০

الملاحظة : أجب عن ثلاثة من مجموعة (أ) وعن ثلاثة من مجموعة (ب) وعن اثنين من مجموعة (ج)
[দ্রষ্টব্য : (أ) অংশ হতে তিনটি, (ب) অংশ হতে তিনটি এবং (ج) অংশ হতে দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও।]


مجموعة (أ) – أسماء الرجال (الدرجات – ١٥ × ٣ = ٤٥)
[গ্রুপ (ক) – আসমাউর রিজাল]

١- عرف علم الرجال ثم بين نشأته وتطوره وضرورة دراسته وأهم المؤلفات فيه.
[১. علم الرجال-এর পরিচয় দাও। এর উৎপত্তি, বিকাশ, পাঠের প্রয়োজনীয়তা ও সে বিষয়ে রচিত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থাবলির বর্ণনা দাও।]

উত্তর:
পরিচয়: ইলমুর রিজাল হলো এমন একটি শাস্ত্র যার মাধ্যমে হাদিস বর্ণনাকারীদের জীবনী, তাদের জন্ম-মৃত্যু, উস্তাদ-শাগরিদ এবং তাদের বিশ্বস্ততা বা দুর্বলতা সম্পর্কে জানা যায়।
উৎপত্তি ও বিকাশ: সাহাবাদের যুগে ফিতনা শুরু হওয়ার পর বর্ণনাকারীদের পরিচয় জানার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। তাবিঈদের যুগে এটি প্রসার লাভ করে এবং পরবর্তীতে স্বতন্ত্র শাস্ত্র হিসেবে এর ওপর বিশাল গ্রন্থাবলি রচিত হয়।
প্রয়োজনীয়তা: এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো সহিহ (বিশুদ্ধ) হাদিসকে জয়িফ (দুর্বল) ও মাওজু (বানোয়াট) হাদিস থেকে আলাদা করা। রাবিদের অবস্থা না জানলে হাদিসের মান নির্ণয় করা অসম্ভব।
গ্রন্থাবলি: উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো- ইমাম মিজ্জির ‘তাহজিবুল কামাল’, হাফিজ ইবনে হাজার আসকিলানির ‘তাকরিবুত তাহজিব’ এবং ‘লিসানুল মিযান’।

٢- عرف الصحابة ثم بين طبقاتهم في رواية الحديث وعدد روايتهم مفصلا.
[২. الصحابة-এর সংজ্ঞা দাও। হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে সাহাবাদের طبقات ও রেওয়ায়েতের সংখ্যা সবিস্তারে আলোচনা কর।]

উত্তর:
সংজ্ঞা: যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে রাসূলুল্লাহ (সা)-এর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং ঈমানের সাথেই মৃত্যুবরণ করেছেন, তাঁকে সাহাবি বলা হয়।
طبقات (স্তর) ও রেওয়ায়েতের সংখ্যা: হাদিস বর্ণনার দিক থেকে সাহাবিদের দুটি প্রধান স্তর রয়েছে:
১. মুকসিরুন (অধিক বর্ণনাকারী): যারা ১০০০-এর বেশি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তারা হলেন ৭ জন: আবু হুরায়রা (রা) [৫৩৭৪টি], আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) [২৬৩০টি], আনাস বিন মালিক (রা) [২২৮৬টি], আয়িশা (রা) [২২১০টি], আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) [১৬৬০টি], জাবির বিন আবদুল্লাহ (রা) [১৫৪০টি] এবং আবু সাঈদ খুদরি (রা) [১১৭০টি]।
২. মুকিল্লুন (স্বল্প বর্ণনাকারী): যারা ১০০০-এর কম হাদিস বর্ণনা করেছেন, যেমন- খুলাফায়ে রাশিদিন এবং অন্যান্য সাহাবিগণ।

٣- عرف الإسناد ثم اكتب أهميته وضرورته فى رواية الحديث.
[৩. الإسناد-এর সংজ্ঞা দাও। হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা লেখ।]

উত্তর:
সংজ্ঞা: ‘সনদ’ বা ‘ইসনাদ’ হলো মূল মতন (হাদিসের পাঠ) পর্যন্ত পৌঁছার জন্য বর্ণনাকারীদের পরম্পরা বা চেইন।
গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা: ইসলামী শরীয়তে ইসনাদের গুরুত্ব অপরিসীম। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক (রহ) বলেছেন, “সনদ হলো দীনের অংশ। যদি সনদ না থাকত, তবে যার যা ইচ্ছা তা-ই বলত।” সনদের মাধ্যমেই বোঝা যায় যে হাদিসটি রাসূল (সা) পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য সূত্রে পৌঁছেছে কি না। জালিয়াতদের হাত থেকে হাদিসকে রক্ষা করার এটি প্রধান হাতিয়ার।

٤- عرف التابعين وأتباع التابعين ـ ثم اكتب عشرة أسماء من كل طبقة مع ذكر حياة أحد من التابعين.
[৪. التابعين ও أتباع التابعين-এর সংজ্ঞা দাও। একজন التابع-এর জীবনীসহ প্রতিটি স্তর থেকে দশজন রাবির নাম লেখ।]

উত্তর:
তাবিঈন: যিনি ঈমানের সাথে কোনো সাহাবির সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং ঈমানের সাথে মৃত্যুবরণ করেছেন।
আতবাউত তাবিঈন: যিনি ঈমানের সাথে কোনো তাবিঈর সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং ঈমানের সাথে ইন্তেকাল করেছেন।
তাবিঈদের ১০ জন: হাসান বাসরি, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব, উরওয়া বিন জুবাইর, ইবনে সিরিন, নাফে, আতা বিন রাবাহ, মুজাহিদ, ইকরামা, তাউস, শা’বী।
আতবাউত তাবিঈদের ১০ জন: ইমাম আবু হানিফা, ইমাম মালিক, সুফিয়ান সাওরী, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা, শু’বা বিন হাজ্জাজ, আল-আওযায়ী, লাইস বিন সা’দ, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান, আবদুর রহমান বিন মাহদী।
হাসান বাসরি (রহ)-এর জীবনী: তাঁর নাম আল-হাসান বিন আবিল হাসান। তিনি ২১ হিজরিতে মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি উম্মুল মুমিনিন উম্মে সালামা (রা)-এর গৃহে লালিত-পালিত হন। তিনি একজন বিখ্যাত তাবিঈ, মুহাদ্দিস ও ফকিহ ছিলেন। তিনি ১১০ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

٥- من الإمام محمد بن شهاب الزهرى؟ بين دوره فى رواية الحديث وتدوينه.
[৫. ইমাম মুহাম্মদ বিন শিহাব আয-যুহরী কে? হাদিস বর্ণনায় ও সংকলনে তাঁর ভূমিকা বর্ণনা কর।]

উত্তর:
পরিচয়: তিনি হলেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন মুসলিম বিন উবাইদুল্লাহ বিন শিহাব আয-যুহরি। তিনি একজন প্রখ্যাত তাবিঈ এবং মদিনার সর্বশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ছিলেন।
তাঁর ভূমিকা: হাদিস সংরক্ষণ ও সংকলনে তাঁর অবদান অসামান্য। খলিফা উমর বিন আবদুল আজিজ (রহ)-এর রাষ্ট্রীয় নির্দেশে তিনিই সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে হাদিস সংগ্রহ ও সংকলন শুরু করেন। তাঁর এই পদক্ষেপের ফলেই ইলমে হাদিস গ্রন্থবদ্ধ রূপ পায় এবং হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়।

مجموعة (ب) – علم الجرح والتعديل (الدرجات – ١٥ × ٣ = ٤٥)
[গ্রুপ (খ) – ইলমুল জারহ ওয়াত তা’দীল]

٦- عرف الضبط ثم بين طرق معرفة ضبط الصحابة فى رواية الحديث.
[৬. ضبط-এর সংজ্ঞা দাও। হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে সাহাবাদের ضبط সম্পর্কে জানার পদ্ধতিগুলো বর্ণনা কর।]

উত্তর:
দব্ত (ضبط): এর আভিধানিক অর্থ সংরক্ষণ বা আয়ত্ত করা। পরিভাষায়: বর্ণনাকারীর হাদিস শোনার পর তা হুবহু স্মৃতিতে বা খাতায় এমনভাবে সংরক্ষণ করা যাতে যেকোনো সময় তিনি তা নির্ভুলভাবে বর্ণনা করতে পারেন। দব্ত দুই প্রকার: দব্তুস সদর (স্মৃতিশক্তি) এবং দব্তুল কিতাব (লিপিবদ্ধ করে রাখা)।
সাহাবাদের দব্ত জানার পদ্ধতি: সাহাবিগণ উম্মতের মধ্যে সবচেয়ে ন্যায়পরায়ণ ও বিশ্বস্ত (কুল্লাহুম উদুল)। তাদের দব্ত পরীক্ষা করার জন্য আলেমগণ তাদের বর্ণিত হাদিসগুলোকে অন্য সাহাবিদের হাদিসের সাথে মিলিয়ে দেখতেন (যাকে ‘মুকাবালা’ বলা হয়)। যেমন, উম্মুল মুমিনিন আয়িশা (রা) মাঝে মাঝে আবু হুরায়রা (রা) বা ইবনে উমর (রা)-এর বর্ণিত হাদিসের সূক্ষ্ম পর্যালোচনা করতেন।

٧- عرف علم الجرح والتعديل ثم بين أهميته مع بيان أشهر المصنفات فيه.
[৭. علم الجرح والتعديل-এর সংজ্ঞা দাও। এই শাস্ত্রের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের নাম উল্লেখপূর্বক এর গুরুত্ব আলোচনা কর।]

উত্তর:
সংজ্ঞা: যে শাস্ত্রের মাধ্যমে হাদিসের বর্ণনাকারীদের ত্রুটি-বিচ্যুতি প্রমাণ করে তাদের হাদিস প্রত্যাখ্যান করা (জারহ) কিংবা তাদের বিশ্বস্ততা ও নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণ করে তাদের হাদিস গ্রহণ করার (তা’দিল) নিয়মকানুন আলোচনা করা হয়, তাকে ‘ইলমুল জারহ ওয়াত তা’দিল’ বলে।
গুরুত্ব: ইসলামি শরীয়তে এর গুরুত্ব অপরিসীম। এটি হলো হাদিসের ছাঁকনি। এর মাধ্যমে সহিহ ও জয়িফ হাদিসের পার্থক্য করা হয়। এটি না থাকলে দীনের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কথা সহজেই প্রবেশ করত।
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: ইবনে আবি হাতিমের ‘আল-জারহ ওয়াত-তা’দিল’, ইমাম জাহাবির ‘মিযানুল ই’তিদাল’, ইবনে হাজার আসকিলানির ‘তাহজিবুত তাহজিব’।

٨- ما معنى العدالة؟ وما هى طرق معرفتها؟ بين عدالة الصحابة موضحا.
[৮. العدالة-এর অর্থ কী? সে সম্পর্কে অবগত হওয়ার পদ্ধতিগুলো কী কী? عدالة الصحابة সম্পর্কে বর্ণনা দাও।]

উত্তর:
অর্থ: আদালাত অর্থ হলো ন্যায়পরায়ণতা। পরিভাষায়, এমন একটি গুণ যা মানুষকে তাকওয়া অবলম্বন করতে এবং শালীনতা বজায় রাখতে উদ্বুদ্ধ করে, ফলে সে শিরক, ফিসক, বিদআত এবং হীন কাজ থেকে বিরত থাকে।
অবগত হওয়ার পদ্ধতি: ১. ইশতিহার বা প্রসিদ্ধি: সমাজে তার সততার প্রসিদ্ধি থাকা (যেমন চার ইমাম)। ২. তাযকিয়াহ বা সত্যায়ন: নির্ভরযোগ্য কোনো ইমাম বা মুহাদ্দিস তার সম্পর্কে ‘সে আদিল’ বলে সাক্ষ্য দেওয়া।
সাহাবাদের আদালাত: আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের সর্বসম্মত আকিদা হলো সকল সাহাবি ‘আদিল’ বা ন্যায়পরায়ণ। স্বয়ং আল্লাহ তাআলা কুরআনে (রাজিয়াল্লাহু আনহুম বলে) এবং রাসূল (সা) হাদিসে তাদের ন্যায়পরায়ণতার সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাই তাদের আদালাত নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই।

٩- اذكر الجروح الناشئة لاختلال العدالة والجروح المتعلقة بالضبط.
[৯. العدالة বিনষ্টকারী ও ضبط সংশ্লিষ্ট جروح উল্লেখ কর।]

উত্তর:
বর্ণনাকারীর মাঝে মোট ১০টি কারণে ‘জারহ’ বা ত্রুটি দেখা যায়।
আদালাত বিনষ্টকারী জুরূহ (৫টি): ১. আল-কিব (রাসূলের নামে মিথ্যা বলার প্রমাণ থাকা), ২. ইত্তেহাম বিল কিব (মিথ্যার অপবাদ বা সন্দেহ হওয়া), ৩. ফিসক (প্রকাশ্যে পাপাচার করা), ৪. বিদআত (শরিয়ত পরিপন্থী নতুন কিছু আবিষ্কার করা), ৫. জাহালাত (রাবির পরিচয় অজ্ঞাত হওয়া)।
দব্ত সংশ্লিষ্ট জুরূহ (৫টি): ১. ফাহশুল গালাত (অতিরিক্ত ভুল করা), ২. সু-উল হিফজ (স্মৃতিশক্তি চরম দুর্বল হওয়া), ৩. গাফলাত (অধিক অমনোযোগী হওয়া), ৪. কাসরাতিল আওহাম (অধিক সন্দেহ বা বিভ্রম হওয়া), ৫. মুখালাফাতুস সিকাত (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের বিরোধিতা করা)।

١٠- اذكر ألفاظ الجرح والتعديل ومراتبها مفصلا.
[১০. الجرح والتعديل-এর শব্দাবলি ও স্তরসমূহ সবিস্তারে আলোচনা কর।]

উত্তর:
মুহাদ্দিসগণ জারহ এবং তা’দিলের জন্য বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করেন, যার ভিত্তিতে এর স্তর নির্ধারিত হয়।
তা’দিলের স্তরসমূহ:
প্রথম স্তর: সাহাবি হওয়া (কারণ তারা সর্বোচ্চ প্রশংসিত)।
দ্বিতীয় স্তর: সুপারলেটিভ ডিগ্রি দিয়ে প্রশংসা করা, যেমন ‘আওসাকুন নাস’ (মানুষের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য)।
তৃতীয় স্তর: দুটি সমার্থক শব্দ দিয়ে তাগিদ দেওয়া, যেমন ‘সিকাতুন সিকাহ’।
চতুর্থ স্তর: শুধু ‘সিকাহ’ বা ‘সাদুক’ বলা।
জারহের স্তরসমূহ:
সবচেয়ে নিকৃষ্ট স্তর: ‘আকজাবুন নাস’ (সবচেয়ে বড় মিথ্যাবাদী)।
দ্বিতীয় স্তর: দাজ্জাল বা ওয়াদ্দা’ (বানোয়াটকারী)।
তৃতীয় স্তর: ‘মাতরুক’ বা ‘সাকাতু আনহু’ (তার হাদিস বর্জন করা হয়েছে)।
সর্বনিম্ন স্তর: ‘লায়্যিন’ বা ‘দাইফ’ (দুর্বল)।

مجموعة (ج) (الدرجات – ٥ × ٢ = ١٠)
[গ্রুপ (গ) – সংক্ষিপ্ত টীকা]

١١- علق عن اثنين فقط :
[১১. নিচের যেকোনো দুটির ওপর সংক্ষিপ্ত টীকা লেখ:]

  • (أ) شروط الناقد المقبول ؛
    [(ক) গ্রহণযোগ্য সমালোচকের শর্তাবলি;]

    উত্তর: জারহ ও তা’দিলের ক্ষেত্রে যিনি রাবিদের সমালোচনা করবেন, তাঁর কয়েকটি শর্ত রয়েছে: ১. তাঁকে অবশ্যই তাকওয়াবান ও ন্যায়পরায়ণ হতে হবে। ২. ইলমুল জারহ ও তা’দিলের কারণসমূহ সম্পর্কে গভীর জ্ঞান থাকতে হবে। ৩. তাঁকে পক্ষপাতমুক্ত এবং চরমপন্থামুক্ত হতে হবে।
  • (ب) معرفة الأسماء والكنى ؛
    [(খ) নাম ও উপনাম সম্পর্কে জানা;]

    উত্তর: রাবিদের আসল নাম এবং তাদের ‘কুনিয়াত’ (উপনাম, যেমন- আবু হুরায়রা) সম্পর্কে সুস্পষ্ট জ্ঞান রাখা ইলমে রিজালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি না জানলে একই রাবিকে দুজন ভিন্ন ব্যক্তি মনে করার কিংবা ভিন্ন রাবিকে এক মনে করার বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
  • (ج) حكم الحديث الموضوع ؛
    [(গ) মাওজু (বানোয়াট) হাদিসের বিধান;]

    উত্তর: মাওজু বা জাল হাদিস বর্ণনা করা হারাম। কেউ যদি জেনেশুনে মাওজু হাদিস বর্ণনা করে এবং শ্রোতাকে তা জানিয়ে না দেয়, তবে সেও মিথ্যুকদের অন্তর্ভুক্ত হবে। রাসূল (সা) বলেছেন, “যে আমার ওপর ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যারোপ করল, সে যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নিল।”
  • (د) حكم رواية الحديث الضعيف ؛
    [(ঘ) জয়িফ (দুর্বল) হাদিস বর্ণনার বিধান;]

    উত্তর: ফিকহি মাসআলা, হালাল-হারাম বা আকিদার ক্ষেত্রে জয়িফ হাদিস প্রমাণযোগ্য নয়। তবে ফজিলতপূর্ণ আমল বা ‘ফাজায়েলুল আমাল’-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে জয়িফ হাদিস আমলযোগ্য, যদি তা চরম দুর্বল না হয় এবং তা সাধারণ কোনো শরিয়তসম্মত নীতির অধীনে পড়ে।
Follow Our Facebook Page
দ্রুত নতুন বই পেতে যুক্ত থাকুন
Follow Now