পরীক্ষা কোড: ৫০১ | প্রশ্নপত্র কোড: ৯০২
اختبار الكامل الماجستير (مدة سنة واحدة)، لعام ۲۰۲۲
[কামিল মাস্টার্স (এক বছর মেয়াদি) পরীক্ষা, ২০২২]
القرآن والدراسات الإسلامية
[আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ]
دراسة التفسير-٢
[দিরাসাত আত-তাফসীর-২]
الوقت-٤ ساعات [সময়—৪ ঘণ্টা]
الدرجة الكاملة-١٠٠ [পূর্ণমান—১০০]
مجموعة (أ) – تفسير البيضاوى
(ترجم اثنتين من القطعات التالية ثم أجب عن الأسئلة الملحقة بهما)
الدرجة- ٢٠×٢=٤٠
(أ) أولئك على هدى من ربهم وأولئك هم المفلحون- إن الذين كفروا سواء عليهم أأنذرتهم أم لم تنذرهم لا يؤمنون- ختم الله على قلوبهم وعلى سمعهم وعلى أبصارهم غشاوة ولهم عذاب عظيم-
(١) ما الحكمة في تكرار كلمة ‘أولئك’ في الآية؟ وما المراد بـ ‘على هدى’؟ بين بالإيضاح- (٥)
(٢) حلل كلمة ‘سواء’، مع ذكر محل الإعراب لقوله تعالى ‘أأنذرتهم’؟ (٥)
(٣) ما المراد بالختم على القلوب والغشاوة على الأبصار؟ بين- (٥)
(১) ‘أولئك’ পুনরাবৃত্তির হিকমত: মুত্তাকিদের অতুলনীয় সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি এবং তাদের চূড়ান্ত সফলতার বিষয়টি জোরালোভাবে (তাকিদ) বোঝানোর জন্য বাক্যটিতে ‘উলাইকা’ পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে।
‘على هدى’-এর উদ্দেশ্য: এখানে ‘ইস্তিয়ারা তাবাঈয়্যাহ’ বা রূপক অলংকার ব্যবহৃত হয়েছে। ‘আলা’ (على) অব্যয়টি সাধারণত আরোহণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, মুত্তাকিরা হেদায়াতের ওপর এমনভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত ও অটল, যেন তারা কোনো শক্তিশালী বাহনের ওপর দৃঢ়ভাবে আরোহণ করে গন্তব্যে এগিয়ে যাচ্ছে।
(২) ‘سواء’ বিশ্লেষণ: শব্দটি মূলত মাসদার (সমতা), তবে এখানে এটি ইসম ফায়িল বা সিফাত (সমান) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
‘أأنذرتهم’ এর ই’রাব: এটি পূর্ববর্তী ‘سواء’ (খবর মুকাদ্দাম)-এর মুবতাদা মুয়াখখার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণগতভাবে এর প্রচ্ছন্ন অর্থ হলো- “إنذارك وعدم إنذارك سواء” (তোমার সতর্ক করা বা না করা তাদের জন্য সমান)।
(৩) অন্তরে মোহর ও চোখে আবরণ: ‘খাতাম’ অর্থ মোহর মারা। এটি কাফিরদের প্রাথমিক অবস্থা নয়, বরং তাদের ক্রমাগত সত্য প্রত্যাখ্যানের চূড়ান্ত পরিণতি। বারবার কুফরি করার কারণে আল্লাহ তাদের অন্তরে এমন আবরণ বা মোহর মেরে দিয়েছেন যে, সেখানে আর ঈমানের আলো প্রবেশ করতে পারে না। অন্যদিকে, তাদের চোখে গাফলতের এমন পর্দা রয়েছে যে, তারা আল্লাহর সৃষ্টির নিদর্শন দেখেও তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে না।
(ب) وإن كنتم في ريب مما نزلنا على عبدنا فأتوا بسورة من مثله وادعوا شهداءكم من دون الله إن كنتم صادقين- فإن لم تفعلوا ولن تفعلوا فاتقوا النار التي وقودها الناس والحجارة أعدت للكافرين-
(١) ما معنى السورة لغة وشرعاً؟
(٢) “في الآية حجية على نبوة محمد صلى الله عليه وسلم” – أوضح-
(٣) أوضح قوله تعالى: ‘وإن كنتم في ريب مما نزلنا على عبدنا كما فسره البيضاوي-
(১) সূরা-এর অর্থ: আভিধানিক অর্থ— উচ্চ মর্যাদা, প্রাচীর বা স্তর। পরিভাষায়— আল-কুরআনের এমন একটি স্বতন্ত্র অংশ, যার নির্দিষ্ট শুরু ও শেষ রয়েছে এবং যা কমপক্ষে তিনটি আয়াত নিয়ে গঠিত।
(২) নবুয়তের প্রামাণিকতা: আরবরা ভাষা, সাহিত্য ও কবিতায় চরম উৎকর্ষের অধিকারী ছিল। তা সত্ত্বেও আল-কুরআনের ক্ষুদ্রতম একটি সূরার সমতুল্য কোনো কিছু রচনা করতে তারা চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। যুগ যুগ ধরে এই সাহিত্যিক অক্ষমতাই (ই’জাজ) অকাট্যভাবে প্রমাণ করে যে, কুরআন কোনো মানুষের রচিত গ্রন্থ নয়; এটি সরাসরি আল্লাহর কালাম, আর মুহাম্মাদ (সা.) সত্য নবী।
(৩) বায়জাবির তাফসীর অনুযায়ী ব্যাখ্যা: কাফিরদের যদি মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর অবতীর্ণ কিতাব নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকে, তবে তাদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হয়েছে যে, তারা যেন এর সমতুল্য একটি সূরা বানিয়ে আনে। ‘من مثله’ (এর অনুরূপ)-এর দুটি ব্যাখ্যা হতে পারে: ১. কুরআনের মতো ফাসাহাত-বালাগাতপূর্ণ সূরা নিয়ে আসো, অথবা ২. উম্মি নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর মতো কোনো অশিক্ষিত ব্যক্তির কাছ থেকে এমন সাহিত্যসমৃদ্ধ রচনা নিয়ে আসো।
(ج) إن الله لا يستحيي أن يضرب مثلا ما بعوضة فما فوقها فأما الذين آمنوا فيعلمون أنه الحق من ربهم وأما الذين كفروا فيقولون ماذا أراد الله بهذا مثلا يضل به كثيرا ويهدي به كثيرا وما يضل به إلا الفاسقين-
(١) بين سبب نزول الآية الكريمة-
(٢) ما معنى الإستحياء لغة واصطلاحاً؟
(٣) عرف المثل لغة واصطلاحاً ثم أوضح قوله تعالى ‘فما فوقها’-
(১) শানে নুযূল: আল্লাহ তা’আলা যখন মুনাফিক ও কাফিরদের বাতিল উপাস্যদের দুর্বলতা বোঝাতে মশা, মাছি বা মাকড়সার মতো ক্ষুদ্র প্রাণীর দৃষ্টান্ত দিলেন (যেমন সূরা হজে মাছির কথা আছে), তখন কাফিররা উপহাস করে বলতে লাগল, “আল্লাহর মতো মহান সত্তা এত তুচ্ছ ও নীচ জিনিসের উদাহরণ কেন দেবেন?” তাদের এই আপত্তির জবাবে এই আয়াত নাজিল হয়, যেখানে বোঝানো হয়েছে যে, সত্য বর্ণনায় আল্লাহ সংকোচবোধ করেন না।
(২) ইস্তাহইয়া-এর অর্থ: আভিধানিক অর্থ— লজ্জা পাওয়া, সঙ্কোচ বোধ করা বা গুটিয়ে নেওয়া। পরিভাষায়— নিন্দনীয় বা খারাপ কাজের ভয়ে কোনো কিছু থেকে বিরত থাকা। আল্লাহর ক্ষেত্রে এর অর্থ হলো, তিনি সত্য প্রকাশে এবং হিকমত বর্ণনায় কোনো সঙ্কোচ করেন না বা বিরত থাকেন না।
(৩) মাছাল-এর পরিচয় ও ব্যাখ্যা: আভিধানিক অর্থ— দৃষ্টান্ত, উপমা বা অনুরূপ। পরিভাষায়— কোনো অস্পষ্ট, বিমূর্ত বা কঠিন বিষয়কে সুস্পষ্ট ও বোধগম্য করার জন্য পরিচিত কোনো বস্তুর সাথে তুলনা করা।
‘فما فوقها’-এর ব্যাখ্যা: এখানে দুটি অর্থ হতে পারে: ১. মশার চেয়েও ক্ষুদ্রতর প্রাণী (যেমন জীবাণু বা মশার ডানা)। ২. মশার চেয়ে কিছুটা বড় প্রাণী (যেমন মাছি বা মাকড়সা)। উভয় ক্ষেত্রেই উদ্দেশ্য হলো ক্ষুদ্রতা ও তুচ্ছতা বোঝানো।
٢- أجب عن واحد مما يلى : (الدرجة= ١٠×١)
(أ) اكتب ترجمة الإمام ناصر الدين البيضاوى ومساهمته فى علم التفسير-
(ب) تحدث عن تفسير البيضاوى اسمه وخصائصه ومنزلته بين كتب التفاسير-
(أ) ইমাম বায়জাবি (রহ.): তাঁর পুরো নাম আবদুল্লাহ বিন উমর আল-বায়জাবি (মৃত্যু: ৬৮৫ হিজরি)। তিনি একাধারে প্রসিদ্ধ শাফেয়ি ফকিহ, উসুলবিদ, কালামশাস্ত্রবিদ এবং মুফাসসির ছিলেন। তাফসির শাস্ত্রে তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান হলো, তিনি অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ‘তাফসিরে কাশশাফ’-এর ভাষাতাত্ত্বিক সৌন্দর্য এবং ‘তাফসিরে কাবির’-এর ইলমি নির্যাস একত্র করে একটি পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভরযোগ্য তাফসির রচনা করেন।
(ب) তাফসিরে বায়জাবি: এর মূল নাম “আনোয়ারুত তানজিল ওয়া আসরারুত তাবি’ল”।
বৈশিষ্ট্য: এটি শব্দগত বিশ্লেষণ, নাহু-সরফ (ব্যাকরণ) এবং বালাগাত (অলংকারশাস্ত্র)-এর জন্য জগৎ বিখ্যাত। গ্রন্থটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত অথচ গভীর অর্থবোধক।
মর্যাদা: এটি আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকিদা ভিত্তিক এবং মু’তাযিলাদের ভ্রান্ত মতবাদের কঠোর খণ্ডনকারী। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে উপমহাদেশের মাদরাসাগুলোতে এটি ইলমে তাফসিরের সর্বোচ্চ স্তরের পাঠ্যপুস্তক হিসেবে সমাদৃত।
مجموعة (ب) – تفسير الكشاف
(ترجم اثنتين من القطعات التالية ثم أجب عن الأسئلة الملحقة بهما)
الدرجة= ٢٠×٢=٤٠
(أ) الحمد لله رب العالمين- الرحمن الرحيم- مالك يوم الدين- إياك نعبد وإياك نستعين- اهدنا الصراط المستقيم- صراط الذين أنعمت عليهم- غير المغضوب عليهم ولا الضالين-
(١) ما معنى الحمد؟ وما الفرق بينه وبين الشكر؟ بين- (٥)
(٢) لم عدل عن صيغة الغيبة إلى صيغة الخطاب في قوله تعالى: إياك نعبد وإياك نستعين؟ (٥)
(٣) أوضح معنى الهداية في قوله تعالى: إهدنا الصراط المستقيم- (٥)
(১) হামদ এর অর্থ: স্বেচ্ছায় এবং সম্মানের সাথে কারও সুন্দর গুণের প্রশংসা করা।
হামদ ও শোকর-এর পার্থক্য: হামদ শব্দটি ব্যাপক; এটি কারো অনুগ্রহ পাওয়ার কারণেও হতে পারে, আবার অনুগ্রহ ছাড়াও কেবল তার গুণাবলির জন্য হতে পারে। কিন্তু শোকর কেবলই কোনো নিয়ামত প্রাপ্তির বিনিময়ে করা হয়। অর্থাৎ, প্রতিটি শোকরই হামদ, কিন্তু প্রতিটি হামদ শোকর নয়।
(২) ইলতিফাত বা সর্বনাম পরিবর্তন: সূরা ফাতিহার প্রথম তিনটি আয়াতে আল্লাহ গায়েব (নাম পুরুষ/থার্ড পারসন) হিসেবে উল্লিখিত ছিলেন। যখন বান্দা তাঁর গুণকীর্তন করতে করতে তাঁর নৈকট্য লাভ করল, তখন ‘إياك’ (কেবল আপনারই) বলে সরাসরি উপস্থিত (মধ্যম পুরুষ/মুখাতাব) হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে। বালাগাতের পরিভাষায় একে ‘ইলতিফাত’ বলে, যা কালামে চমৎকারিত্ব ও আবেগ সৃষ্টি করে।
(৩) হেদায়াতের অর্থ: দয়া ও কোমলতার সাথে গন্তব্যের পথ দেখিয়ে দেওয়া। মুমিনরা তো আগে থেকেই হেদায়েতপ্রাপ্ত, তাই এখানে ‘اهدنا’ বা ‘আমাদের পথ দেখান’ অর্থ হলো— হে আল্লাহ! আমাদেরকে সত্য দ্বীনের ওপর অবিচল ও দৃঢ় রাখুন এবং হেদায়াতের পথে আরও অগ্রসর করুন।
(ب) هو الذى انزل عليك الكتاب منه ايات محكمات هن ام الكتاب واخر متشابهات، فأما الذين فى قلوبهم زيغ فيتبعون ما تشابه منه ابتغاء الفتنة وابتغاء تأويله، وما يعلم تأويله إلا الله، والراسخون فى العلم يقولون آمنا به كل من عند ربنا وما يذكر إلا أولوا الألباب-
(١) ما الحكمة فيما لم يكن القرآن كله محكما؟ (٥)
(٢) ما المتشابهات؟ بين على ضوء تفسير الزمخشرى- (٥)
(٣) ما المراد بقوله تعالى: ‘الذين فى قلوبهم زيغ’؟ (٥)
(১) সম্পূর্ণ কুরআন মুহকাম না হওয়ার হিকমত: এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো মানুষের ঈমানের পরীক্ষা নেওয়া। এর মাধ্যমে আলেমদের গবেষণা ও ইজতিহাদের পথ উন্মুক্ত থাকে। যাদের অন্তরে ব্যাধি আছে তারা সন্দেহ তৈরি করে, অন্যদিকে প্রকৃত মুমিনরা অদৃশ্যের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করে আল্লাহর জ্ঞানের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে নেয়।
(২) যামাখশারীর মতে মুতাশাবিহাত: যে আয়াতগুলোর অর্থ বাহ্যিকভাবে একাধিক সম্ভাবনাময় বা অস্পষ্ট, এবং যেগুলোর প্রকৃত অর্থ বুঝতে মুহকাম (সুস্পষ্ট) আয়াতের সাহায্য নিতে হয়। অথবা, যেসব আয়াতের চূড়ান্ত জ্ঞান আল্লাহ কেবল নিজের কাছেই গোপন রেখেছেন (যেমন: হুরূফে মুকাত্তা’আত বা কিয়ামতের সময়)।
(৩) ‘الذين فى قلوبهم زيغ’-এর উদ্দেশ্য: এর অর্থ হলো— যাদের অন্তরে সত্য থেকে বিচ্যুতি, বক্রতা এবং গোঁড়ামি রয়েছে। এরা হলো বিদআতি ও ভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী, যারা সমাজে ফিতনা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং নিজেদের ভ্রান্ত মতবাদ প্রমাণের জন্য মুতাশাবিহ আয়াতের অপব্যাখ্যা করে থাকে।
٤- أجب عن واحد مما يأتى: (الدرجة = ١٠×١)
(١) اكتب ترجمة صاحب الكشاف ومساهمته فى علم التفسير-
(٢) تحدث عن تفسير الكشاف اسمه وخصائصه ومنزلته بين كتب التفاسير-
(১) صاحب الكشاف (কাশশাফ প্রণেতা): তাঁর নাম আল্লামা আবুল কাসিম মাহমুদ ইবনে উমর আয-যামাখশারী (মৃত্যু: ৫৩৮ হিজরি)। তিনি ‘জারুল্লাহ’ উপাধিতে পরিচিত। আরবি ব্যাকরণ, বালাগাত এবং সাহিত্যে তাঁর পাণ্ডিত্য ছিল অসামান্য। তাফসির শাস্ত্রে তাঁর অবদান অতুলনীয় হলেও, আকিদাগতভাবে তিনি মু’তাযিলা পন্থী ছিলেন এবং তাঁর তাফসিরে তা তীব্রভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
(২) তাফসিরে কাশশাফ: এর পূর্ণ নাম “আল-কাশশাফ আন হাকায়িকি গাওয়ামিযিত তানজিল”।
বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা: এটি বালাগাত, ফাসাহাত এবং কুরআনের ভাষাতাত্ত্বিক অলৌকিকতার (ই’জাজ) সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের জন্য জগতবিখ্যাত। এতে মু’তাযিলা আকিদার মিশ্রণ থাকা সত্ত্বেও, কেবল এর ভাষাতাত্ত্বিক উৎকর্ষ ও অতুলনীয় শৈলীর কারণে যুগে যুগে উলামায়ে কেরাম এটিকে তাফসিরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎস হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং এর উপর অসংখ্য টীকা (হাশিয়া) লিখেছেন।






