اختبار السنة الثالثة للفاصل البكالوريوس (الشرف) ، لعام ۲۰۲۳
[ফাযিল স্নাতক (সম্মান) তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষা, ২০২৩]
القرآن والدراسات الاسلامية [আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ]
১. التفسير بالسند [আত-তাফসীর বিস-সানাদ]
বিষয় কোড: ۲۰۱۰۱ | প্রশ্নপত্র কোড: ۰۷۱
مجموعة (أ) [ক-বিভাগ]
١- وما من دابة في الارض الا على الله رزقها ويعلم مستقرها ومستودعها…
(أ) ما معنى الرزق؟ هل يسمى الحرام رزقا؟ اوضح الاختلاف…
[রিজিক এর অর্থ কী? হারামকে কি রিজিক বলা যায়? এ মাসয়ালায় আহলে সুন্নাত ও মুতাযিলাদের মধ্যকার মতবিরোধ স্পষ্ট কর।]
উত্তর: রিজিক অর্থ জীবনোপকরণ। আহলে সুন্নাতের মতে হারাম বস্তুও রিজিক, তবে তা ভোগ করা নিষিদ্ধ। কিন্তু মুতাযিলাদের মতে হারামকে রিজিক বলা যায় না, কারণ আল্লাহ কাউকে হারাম খাওয়ার নির্দেশ দেন না।
(ب) ما المقصود بستة ايام في هذه الآية؟
[এ আয়াতে ছয় দিন দ্বারা উদ্দেশ্য কী?]
উত্তর: ছয় দিন দ্বারা আসমান-জমিন সৃষ্টির সময়কাল বোঝানো হয়েছে, যা রবিবার থেকে শুরু হয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
٢- ام يقولون افتراه، قل فأتوا بعشر سور مثله مفتريات…
(أ) ما الفرق بين المؤمن والمسلم؟
[মুমিন ও মুসলিমের মাঝে পার্থক্য কী?]
উত্তর: ঈমান হলো অন্তরের দৃঢ় বিশ্বাসের নাম, আর ইসলাম হলো বাহ্যিক আনুগত্যের নাম। প্রতিটি মুমিন মুসলিম, কিন্তু প্রতিটি মুসলিম মুমিন নাও হতে পারে।
(ب) كيف تحدى القران كفار عصره بمثل هذه الآية؟ بين-
[কুরআন কীভাবে তার সমসাময়িক কাফেরদেরকে এই আয়াতের মতো আয়াতের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করেছে? বর্ণনা কর।]
উত্তর: আল্লাহ চ্যালেঞ্জ করেছেন যে, যদি তারা দাবি করে কুরআন মুহাম্মদ (সা)-এর মনগড়া, তবে তারা যেন নিজেদের সাহায্যকারীদের ডেকে এর অনুরূপ দশটি সূরা রচনা করে নিয়ে আসে।
٣- الر- تلك ايات الكتاب المبين- إنا أنزلناه قرانا عربيا…
(أ) بين حكمة ذكر الحروف المقطعة فى اوائل السور-
[সূরার শুরুতে হুরূফে মুকাত্তাআত উল্লেখ করার হিকমত বর্ণনা কর।]
উত্তর: এর প্রকৃত জ্ঞান কেবল আল্লাহর কাছে। তবে এর একটি হিকমত হলো, আরবদেরকে চ্যালেঞ্জ করা যে, কুরআন তাদের পরিচিত অক্ষর দিয়েই রচিত, তবুও তারা এর অনুরূপ বানাতে অক্ষম।
(ب) لماذا سميت سورة يوسف بأحسن القصص؟
[সূরা ইউসুফকে ‘আহসানুল কাসাস’ বা শ্রেষ্ঠ কাহিনি হিসেবে কেন নামকরণ করা হয়েছে?]
উত্তর: কারণ এতে ঈর্ষা, ধৈর্য, প্রলোভন, ক্ষমা এবং চূড়ান্ত সাফল্যের এক অপূর্ব ও শিক্ষণীয় কাহিনি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বর্ণিত হয়েছে।
٤- قالوا يا أبانا إنا ذهبنا نستبق وتركنا يوسف عند متاعنا…
(أ) كيف اتصف الدم بالكذب؟ وما هو الدم الذى كان على قميص يوسف؟
[রক্তকে কীভাবে মিথ্যার গুণে গুণান্বিত করা হলো? ইউসুফ (আ)-এর জামায় যে রক্ত ছিল তা কিসের রক্ত?]
উত্তর: ভাইয়েরা ইউসুফ (আ)-এর জামায় একটি প্রাণীর রক্ত মাখিয়ে মিথ্যা দাবি করেছিল যে নেকড়ে তাকে খেয়েছে। রক্তটি মিথ্যার সাক্ষী হওয়ায় একে মিথ্যার গুণে গুণান্বিত করা হয়েছে। এটি ছিল ছাগলছানার রক্ত।
(ب) اذكر التركيب النحوى “ما انت بمؤمن لنا”-
[“ما انت بمؤمن لنا” এর নাহবী তারকিব উল্লেখ কর।]
উত্তর: ‘ما’ হলো মায়ে নাফিয়া। ‘انت’ তার ইসম (মারফু)। ‘ب’ হরফে জার জায়েদাহ, ‘مؤمن’ মাজরুর লাফযান কিন্তু মানসুব মাহাল্লান, যা ‘ما’ এর খবর।
٥- له معقبت من بين يديه ومن خلفه يحفظونه من امر الله…
(أ) من هم المعقبات؟ ولما سميت الملائكة معقبات؟
[মুয়াক্কিবাত কারা? ফেরেশতাদেরকে কেন মুয়াক্কিবাত নামে অভিহিত করা হয়েছে?]
উত্তর: মুয়াক্কিবাত হলো মানুষের পাহারাদার ফেরেশতা। তারা পর্যায়ক্রমে মানুষের সামনে ও পেছনে পাহারায় নিয়োজিত থাকে বলে তাদের এই নাম দেওয়া হয়েছে।
(ب) اشرح قول الله تعالى “ان الله لا يغير ما بقوم حتى يغيروا ما بانفسهم”-
[আল্লাহর বাণী “নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না যে পর্যন্ত না তারা নিজেদের অবস্থা নিজেরা পরিবর্তন করে” এর ব্যাখ্যা কর।]
উত্তর: আল্লাহ কোনো জাতির নিয়ামত ততক্ষণ ছিনিয়ে নেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের পাপকাজের মাধ্যমে তা পরিবর্তনের কারণ সৃষ্টি করে।
٦- قل من رب السموت والارض، قل الله…
(أ) ما معنى الشرك وكم نوعا له؟
[শিরক এর অর্থ কী এবং তা কত প্রকার?]
উত্তর: শিরক অর্থ আল্লাহর সত্তা বা গুণে অন্য কাউকে অংশীদার সাব্যস্ত করা। প্রধানত তিন প্রকার: শিরক ফিজ-জাত, শিরক ফিস-সিফাত এবং শিরক ফিল ইবাদাত।
(ب) قوله تعالى ‘خلقوا’ ماذا وقع فى التركيب النحوى؟
[আল্লাহর বাণী ‘خلقوا’ এর নাহবী তারকিব কী হয়েছে?]
উত্তর: এটি ফে’ল মাযী, সিগাহ জুম’আ মুজাক্কার গায়েব। ‘واو’ তার ফায়িল। জুমলা হিসেবে এটি ‘شركاء’ এর সিফাত।
٧- الر- كتاب انزلناه اليك لتخرج الناس من الظلمت الى النور…
(أ) فسر قوله تعالى : “الذين يستحبون الحياة الدنيا على الاخرة”-
[আল্লাহর বাণী “যারা পরকালের চেয়ে দুনিয়ার জীবনকে বেশি ভালোবাসে” এর তাফসির কর।]
উত্তর: আয়াতে তাদের কথা বলা হয়েছে যারা আখেরাতের চিরস্থায়ী কল্যাণের পরিবর্তে দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী ভোগ-বিলাসকে প্রাধান্য দেয় এবং সত্য পথ থেকে বিচ্যুত হয়।
(ب) حقق الكلمات التالية : الظلمات، يصدون-
[নিম্নোক্ত শব্দগুলোর তাহকিক কর: الظلمات، يصدون।]
উত্তর: الظلمات: ইসমে জামেদ, বহুবচন, একবচন ظُلمة, অর্থ অন্ধকার। يصدون: ফে’ল মুদারে, সিগাহ জুম’আ মুজাক্কার গায়েব, মাদ্দাহ ص د د, অর্থ বাধা দেয়।
٨- وقال موسى إن تكفروا انتم ومن فى الارض جميعا فان الله لغنى حميد…
(أ) ما المراد من قول الله “إن تكفروا انتم ومن فى الارض جميعا”؟
[আল্লাহর বাণী “যদি তোমরা এবং পৃথিবীর সবাই কুফরি করো” দ্বারা উদ্দেশ্য কী?]
উত্তর: উদ্দেশ্য হলো, সমগ্র পৃথিবীর মানুষ অকৃতজ্ঞ হলেও আল্লাহর সার্বভৌমত্বের কোনো ক্ষতি হবে না, তিনি অমুখাপেক্ষী।
(ب) ما معنى الكفر؟ وكم نوعا له؟
[কুফরি এর অর্থ কী? এবং তা কত প্রকার?]
উত্তর: কুফর অর্থ ঢেকে রাখা বা অস্বীকার করা। ৪ প্রকার: কুফরে ইনকার, কুফরে জুহুদ, কুফরে ইনাদ এবং কুফরে নিফাক।
٩- الر- تلك ايات الكتاب وقرآن مبين…
(أ) اوضح قول الله تعالى “ربما يود الذين كفروا لوكانوا مسلمين”-
[আল্লাহর বাণী “হয়তো কাফেররা আকাঙ্ক্ষা করবে যে, তারা যদি মুসলিম হতো” স্পষ্ট কর।]
উত্তর: কিয়ামতের দিন যখন কাফেররা তাদের ভয়ানক শাস্তি দেখবে এবং গুনাহগার মুসলিমদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হবে, তখন তারা আক্ষেপ করে মুসলিম হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করবে।
(ب) قول الله تعالى “يأكلوا ويتمتعوا” ماذا وقع فى التركيب النحوى؟
[আল্লাহর বাণী “يأكلوا ويتمتعوا” এর নাহবী তারকিব কী হয়েছে?]
উত্তর: উভয়টি ফে’ল মুদারে মাজজুম। ‘ذرهم’ এর জাওয়াবুল আমর হওয়ার কারণে এদের শেষে নুন পড়ে গেছে।
١٠- وقالوا يا ايها الذي نزل عليه الذكر إنك لمجنون…
(أ) لم قالوا للنبى صلى الله عليه وسلم إنك لمجنون؟ وهل كان فيه جنون؟
[তারা কেন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলেছিল “নিশ্চয়ই আপনি পাগল”? তাঁর মধ্যে কি পাগলামি ছিল?]
উত্তর: তারা আল্লাহর অহীর অভূতপূর্ব বাণী বুঝতে না পেরে এবং ঔদ্ধত্যবশত তাঁকে পাগল বলেছিল। তাঁর মধ্যে বিন্দুমাত্র পাগলামি ছিল না, তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ বিবেকবান মানুষ।
(ب) ما معنى الذكر؟ وإلم يعود الضمير فى (له) فى هذه الآية الكريمة؟
[যিকর এর অর্থ কী? এবং এই সম্মানিত আয়াতে (له) এর সর্বনামটি কার দিকে ফিরেছে?]
উত্তর: যিকর অর্থ কুরআন। ‘له’ এর সর্বনামটি ‘الذكر’ অর্থাৎ আল-কুরআনের দিকে ফিরেছে।
مجموعة (ب) [খ-বিভাগ]
١١- عرف ‘التفسير بالمأثور’ مع انواعه وقواعده مفصلا-
[‘তাফসীর বিল-মাছুর’ এর সংজ্ঞা দাও এবং এর প্রকারভেদ ও নিয়মাবলি বিস্তারিত বর্ণনা কর।]
উত্তর: কুরআন, হাদিস, সাহাবা ও তাবিঈদের উক্তির আলোকে কুরআনের তাফসির করাকে তাফসীর বিল-মাছুর বলে। প্রকারভেদ: ১. কুরআন দ্বারা, ২. হাদিস দ্বারা, ৩. সাহাবাদের উক্তি দ্বারা। নিয়ম: বর্ণনা সহিহ হতে হবে, ইসরাইলি বর্ণনা থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
١٢- اذكر نبذة من حياة المفسر العلام ابى الفداء اسماعيل بن كثير صاحب “تفسير القران العظيم” ثم بين مناهجه وخصائص تفسيره المذكور-
[‘তাফসীরুল কুরআনিল আযীম’ এর রচয়িতা আল্লামা আবুল ফিদা ইসমাইল ইবনে কাসিরের জীবনী সংক্ষেপে উল্লেখ কর। অতঃপর তার তাফসিরের পদ্ধতি ও বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ণনা কর।]
উত্তর: হাফিজ ইবনে কাসির ৭০১ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর তাফসিরের বৈশিষ্ট্য: এটি তাফসীর বিল-মাছুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। তিনি প্রথমে কুরআন দিয়ে, তারপর হাদিস দিয়ে, এরপর সাহাবা ও তাবিঈদের আসার দিয়ে আয়াতের ব্যাখ্যা করেছেন।
২. التفسير بدون السند-٢ [আত-তাফসীর বিদুনিস-সানাদ-২]
বিষয় কোড: ۲۰۱۰۲ | প্রশ্নপত্র কোড: ۰۷۲
مجموعة (أ) [ক-বিভাগ]
١- أتى أمر الله فلا تستعجلوه سبحانه وتعالى عما يشركون…
(أ) ما المراد بالروح؟ بين-
[রূহ দ্বারা কী উদ্দেশ্য? বর্ণনা কর।]
উত্তর: মুফাসসিরদের মতে, এখানে রূহ দ্বারা অহী, জিবরাইল (আ) অথবা নবুওয়াতকে বোঝানো হয়েছে।
(ب) بين سبب نزول هذه الآيات الكريمة-
[এই আয়াতসমূহের শানে নুযুল বর্ণনা কর।]
উত্তর: মুশরিকরা যখন রাসূল (সা)-কে আল্লাহর আজাব দ্রুত নিয়ে আসার জন্য উপহাস করত, তখন আল্লাহ এই আয়াত নাজিল করে সতর্ক করেন যে, আল্লাহর আজাব অত্যাসন্ন।
٢- وهو الذى سخر البحر لتأكلوا منه لحما طريا…
(أ) فسر قوله تعالى : “وألقى فى الارض رواسى أن تميد بكم”-
[আল্লাহর বাণী “এবং তিনি পৃথিবীতে সুদৃঢ় পর্বতমালা স্থাপন করেছেন যাতে পৃথিবী তোমাদের নিয়ে হেলে না পড়ে” এর তাফসির কর।]
উত্তর: পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষার জন্য আল্লাহ পেরেকস্বরূপ পাহাড়সমূহ সৃষ্টি করেছেন, যাতে পৃথিবী স্থিতিশীল থাকে।
(ب) من الذى سخر البحر؟ من خالق كل شىء؟ اثبت بالكتاب والسنة-
[সাগরকে কে অনুগত করেছেন? সবকিছুর স্রষ্টা কে? কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে প্রমাণ কর।]
উত্তর: মহান আল্লাহই সাগরকে অনুগত করেছেন এবং তিনিই সবকিছুর স্রষ্টা। কুরআনে বলা হয়েছে “আল্লাহু খালিকু কুল্লি শাইয়িন” (আল্লাহ সবকিছুর স্রষ্টা)।
٣- سبحان الذى أسرى بعبده ليلا من المسجد الحرام الى المسجد الاقصى…
(أ) لماذا لقب الرسول صلى الله عليه وسلم بالعبد؟ بين-
[রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ‘আবদ’ বা বান্দা উপাধিতে কেন ভূষিত করা হয়েছে? বর্ণনা কর।]
উত্তর: মিরাজের মতো মহান সম্মাননার জায়গায় আল্লাহর দাসত্ব ও বিনীত অবস্থাকে ফুটিয়ে তুলতে এবং উম্মত যেন অতিভক্তির কারণে শিরকে লিপ্ত না হয় তাই তাঁকে ‘আবদ’ বলা হয়েছে।
(ب) هل كان معراج النبى صلى الله عليه وسلم فى اليقظة ام فى المنام؟ بين-
[নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মিরাজ কি জাগ্রত অবস্থায় হয়েছিল নাকি স্বপ্নে? বর্ণনা কর।]
উত্তর: আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের সর্বসম্মত মত অনুযায়ী, মিরাজ জাগ্রত অবস্থায় সশরীরে সংঘটিত হয়েছিল।
٤- اقرأ كتابك، كفى بنفسك اليوم عليك حسيبا…
(أ) فسر قوله تعالى : “اقرأ كتابك كفى بنفسك اليوم عليك حسيبا”-
[আল্লাহর বাণী “তুমি তোমার আমলনামা পাঠ করো, আজ তুমি নিজেই তোমার হিসাব-নিকাশের জন্য যথেষ্ট” এর তাফসির কর।]
উত্তর: কিয়ামতের দিন প্রত্যেক মানুষকে তার নিজ আমলনামা দেওয়া হবে এবং সে তার জীবনের সকল কাজের বিবরণ সেখানে দেখতে পাবে।
(ب) وضّح قوله تعالى : ” وما كنا معذبين حتّى نبعث رسولا”-
[আল্লাহর বাণী “আর আমি কোনো রাসূল না পাঠানো পর্যন্ত শাস্তি প্রদান করি না” এর ব্যাখ্যা কর।]
উত্তর: আল্লাহর চূড়ান্ত ন্যায়বিচারের নীতি হলো, সত্যের পয়গাম ও সতর্ককারী রাসূল প্রেরণের আগে তিনি কোনো জাতিকে ধ্বংস করেন না।
٥- وكذلك بعثنهم ليتساءلوا بينهم…
(أ) ما المراد بقوله تعالى : “وكذلك بعثنهم ليتساءلوا”؟ بين-
[আল্লাহর বাণী “আর এভাবেই আমি তাদেরকে জাগ্রত করলাম যাতে তারা জিজ্ঞাসাবাদ করে” দ্বারা কী উদ্দেশ্য? বর্ণনা কর।]
উত্তর: আসহাবে কাহাফকে দীর্ঘ ঘুমের পর জাগ্রত করা হয়েছিল, যাতে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে আল্লাহর অনন্ত কুদরত বুঝতে পারে।
(ب) لماذا خاف أصحاب الكهف الرّجْمَ عليهم؟ بين-
[আসহাবে কাহাফ তাদের ওপর পাথর নিক্ষেপের ভয় কেন করেছিল? বর্ণনা কর।]
উত্তর: কারণ অত্যাচারী শাসক দাকিয়ানুস তাদেরকে জোরপূর্বক মূর্তি পূজায় বাধ্য করতে চেয়েছিল, অস্বীকার করলে পাথর মেরে হত্যার হুমকি দিয়েছিল।
٦- كٓهيعٓصٓ- ذكر رحمت ربك عبدهُ زكريا…
(أ) ما الحروف المقطعات؟ بين-
[হুরূফে মুকাত্তাআত কী? বর্ণনা কর।]
উত্তর: কুরআনের সূরার শুরুতে থাকা বিচ্ছিন্ন বর্ণসমূহকে হুরূফে মুকাত্তাআত বলে, যার প্রকৃত অর্থ একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন।
(ب) اكتب قصة ولادة يحيى عليه السلام-
[ইয়াহিয়া (আ)-এর জন্মের ঘটনা লেখ।]
উত্তর: জাকারিয়া (আ) বৃদ্ধ বয়সে নিঃসন্তান অবস্থায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলে, আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করেন এবং বন্ধ্যা স্ত্রীর গর্ভে ইয়াহিয়া (আ)-এর জন্মের সুসংবাদ দেন।
٧- ييحيى خذ الكتاب بقوة، وأتيناه الحكم صبيا…
(أ) ما المراد بالكتاب والحكم؟ بين-
[কিতাব ও হিকমত দ্বারা কী উদ্দেশ্য? বর্ণনা কর।]
উত্তর: কিতাব দ্বারা আসমানি গ্রন্থ ‘তাওরাত’ এবং হিকমত দ্বারা প্রজ্ঞা, নবুওয়াত ও দ্বীনের গভীর জ্ঞানকে বোঝানো হয়েছে।
(ب) ما معنى الحنان فى الآية الكريمة “وحنانا من لدنا”؟ بين-
[সম্মানিত আয়াতে উল্লেখিত “وحنانا من لدنا” এর মধ্যে ‘হানান’ শব্দের অর্থ কী? বর্ণনা কর।]
উত্তর: ‘হানান’ অর্থ অসীম দয়া ও মমতা। আল্লাহ ইয়াহিয়া (আ)-কে মানুষের প্রতি কোমল হৃদয় দান করেছিলেন।
٨- وما تلك بيمينك يُموسى…
(أ) اكتب معجزات موسى عليه السلام-
[মূসা (আ)-এর মুজিযাসমূহ লেখ।]
উত্তর: মূসা (আ)-এর প্রধান মুজিযাসমূহ হলো: হাতের লাঠি সাপে পরিণত হওয়া, বগলের নিচ থেকে উজ্জ্বল হাত বের হওয়া, সাগর দ্বিখণ্ডিত হওয়া ইত্যাদি।
(ب) لاى غرض ذكر الله قصة موسى عليه السلام فى هذه الآيات؟
[এই আয়াতসমূহে আল্লাহ মূসা (আ)-এর ঘটনা কী উদ্দেশ্যে উল্লেখ করেছেন?]
উত্তর: রাসূল (সা)-কে সান্ত্বনা দেওয়া এবং মক্কার কাফেরদেরকে সতর্ক করা যে, সত্যের বিরোধিতা করলে ফেরাউনের মতো তাদেরও পতন হতে পারে।
٩- نحن نقص عليك نبأهم بالحق، انهم فتية أمنوا بربهم وزدناهم هدى…
(أ) اكتب من فضائل سورة الكهف-
[সূরা কাহাফের ফজিলতসমূহ থেকে লেখ।]
উত্তর: রাসূল (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা কাহাফ পড়বে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় নূর দ্বারা আলোকিত হবে এবং সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা পাবে।
(ب) متى ربط الله الايمان على قلوب اصحاب الكهف-
[আল্লাহ কখন আসহাবে কাহাফের অন্তরসমূহে ঈমানকে সুদৃঢ় করেছিলেন?]
উত্তর: যখন তারা অত্যাচারী শাসকের দরবারে দাঁড়িয়ে সাহসিকতার সাথে একত্ববাদের ঘোষণা দিয়েছিল।
١٠- الله لا إله الا هو له الاسماء الحسنى- وهل أتاك حديث موسى…
(أ) ما هو الاسماء الحسنى؟ وكم اسماء الله تعالى؟ ثم بين بعض اسمائه-
[আল-আসমাউল হুসনা কী? আল্লাহ তা’আলার কতটি নাম রয়েছে? অতঃপর তাঁর কয়েকটি নাম বর্ণনা কর।]
উত্তর: আল্লাহর সুন্দরতম নামসমূহকে আল-আসমাউল হুসনা বলে। হাদিস অনুযায়ী আল্লাহর ৯৯টি নাম রয়েছে। যেমন: আর-রাহমান, আর-রাহিম।
(ب) عرف الوحى لغة واصطلاحًا- وكم قسما له؟ بين-
[অহী এর শাব্দিক ও পারিভাষিক সংজ্ঞা দাও। এটি কত প্রকার? বর্ণনা কর।]
উত্তর: অহী অর্থ প্রত্যাদেশ। পরিভাষায়: আল্লাহর পক্ষ থেকে নবী-রাসূলদের প্রতি প্রেরিত ঐশী বাণী। এটি দু’প্রকার: অহী মাতলু ও অহী গায়রে মাতলু।
مجموعة (ب) [খ-বিভাগ]
١١- عرف التفسير والتأويل مع ذكر الفرق بينهما- ثم بين شرائط المفسرين-
[তাফসির ও তাবিলের সংজ্ঞা দাও এবং এ দুয়ের মাঝে পার্থক্য উল্লেখ কর। অতঃপর মুফাসসিরদের শর্তাবলি বর্ণনা কর।]
উত্তর: তাফসির হলো আয়াতের বাহ্যিক ও সুস্পষ্ট অর্থের বর্ণনা, আর তাবিল হলো সম্ভাব্য একাধিক অর্থের মধ্য থেকে কোনো একটিকে প্রাধান্য দেওয়া। মুফাসসিরের শর্ত: আরবি ভাষায় পাণ্ডিত্য, কুরআন-সুন্নাহর জ্ঞান, তাকওয়া ইত্যাদি।
١٢- اكتب نبذة من حياة صاحب تفسير الخازن رحمه الله مع بيان خصائص تفسيره-
[তাফসিরে খাযেন-এর রচয়িতার জীবনী সংক্ষেপে লেখ এবং তাঁর তাফসিরের বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ণনা কর।]
উত্তর: রচয়িতা হলেন ইমাম আলাউদ্দীন আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-বোগদাদী। বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত তাফসিরে বাগাভীর সারসংক্ষেপ, যাতে ইতিহাস ও ঘটনাবলির উপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।
৩. علوم الحديث [উলুমুল হাদিস]
বিষয় কোড: ۲۰۱۰۳ | প্রশ্নপত্র কোড: ۰۷۳
مجموعة (أ) [ক-বিভাগ]
١- ما معنى الحديث لغة وشرعاً؟ وما الفرق بين الحديث والخبر والأثر والسنة؟ بين-
[হাদিস এর শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থ কী? হাদিস, খবর, আছার ও সুন্নাতের মাঝে পার্থক্য কী? বর্ণনা কর।]
উত্তর: হাদিস অর্থ কথা বা সংবাদ। পরিভাষায়: নবী (সা)-এর কথা, কাজ ও অনুমোদন। পার্থক্য: ‘হাদিস’ নবী (সা) এর বাণী, ‘খবর’ নবী (সা) ও অন্যদের বাণী, ‘আছার’ সাহাবী ও তাবিঈদের উক্তি, ‘সুন্নাত’ নবী (সা) এর নিয়মিত আমল।
٢- عرف الصحيح والحسن والضعيف مع ذكر شرائط الصحيح-
[সহীহ, হাসান ও জয়ীফের পরিচয় প্রদানপূর্বক সহীহ হাদিসের শর্তাবলি উল্লেখ কর।]
উত্তর: সহীহ: সনদ মুত্তাসিল, রাবী আদিল ও জাবিত এবং হাদিস শায ও ইল্লত মুক্ত। হাসান: সহীহ এর সব শর্ত থাকে, শুধু রাবীর স্মৃতিশক্তি কিছুটা কম। জয়ীফ: হাসান হাদিসের শর্ত পূরণে ব্যর্থ।
٣- هل تجوز رواية الحديث بالمعنى أو بالاختصار؟ بين مفصلا-
[হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে মর্মার্থ বা সংক্ষিপ্ত করে বর্ণনা করা বৈধ কি না? বিস্তারিত বর্ণনা কর।]
উত্তর: শব্দ পরিবর্তন করে মর্মার্থ বর্ণনা করা শর্তসাপেক্ষে বৈধ (রাবি আরবি ভাষায় পারদর্শী হতে হবে)। সংক্ষেপকরণ বৈধ, যদি তা অর্থের বিকৃতি না ঘটায়।
٤- اذكر حجية الحديث على ضوء القرآن والسنة بالتفصيل-
[হাদিসের প্রামাণিকতা কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে উল্লেখ কর।]
উত্তর: শরীয়তে কুরআনের পরেই হাদিসের অবস্থান। কুরআনে বলা হয়েছে: “রাসূল তোমাদের যা দেন তা গ্রহণ করো।” হাদিস ছাড়া কুরআনের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা অসম্ভব।
٥- ما الإسناد؟ اذكر أهميته وحاجته فى علوم الحديث مفصلا-
[আল-ইসনাদ কী? হাদিস শাস্ত্রে এর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিশদভাবে আলোচনা কর।]
উত্তর: ইসনাদ হলো হাদিসের মতন পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য বর্ণনাকারীদের ধারাবাহিক নাম উল্লেখ করা। এর মাধ্যমেই হাদিসের বিশুদ্ধতা নিরূপণ করা হয়।
٦- عرف الموضوع ثم بين حكم روايته مع ذكر دواعى الوضع مفصلا-
[আল-মাওযু এর সংজ্ঞা দাও। এটি বর্ণনার হুকুম এবং হাদিস জালকরণের কারণ বর্ণনা কর।]
উত্তর: মাওযু হলো বানোয়াট হাদিস। হুকুম: জাল হিসেবে সতর্ক করা ছাড়া বর্ণনা করা হারাম। কারণ: রাজনৈতিক মতভেদ, মাজহাবের প্রতি অন্ধভক্তি ইত্যাদি।
٧- أذكر طبقات الرواة باعتبار الضبط والملازمة، ثم اكتب عدة أسماء أشهر المصنفات فى الصحيح-
[হাদিস সংরক্ষণ ও উস্তাদের সাথে সাহচর্যের দিক দিয়ে রাবিদের স্তরসমূহ উল্লেখ কর। অতঃপর সহীহ হাদিসের কয়েকটি প্রসিদ্ধ কিতাবের নাম লেখ।]
উত্তর: রাবিদের কয়েকটি স্তর রয়েছে (যেমন দীর্ঘ সাহচর্য ও প্রখর স্মৃতিসম্পন্ন রাবী)। প্রসিদ্ধ কিতাব: সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, সহীহ ইবনে খুযাইমা।
٨- ما هى شروط قبول الراوى؟ كيف تثبت هذه الشروط؟ بين مفصلا-
[‘রাবি’ গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য শর্তগুলো কী কী এবং শর্তগুলো কীভাবে প্রমাণিত হয়? বিস্তারিত বর্ণনা কর।]
উত্তর: শর্ত দুটি: ১. আদালাত (তাকওয়া) এবং ২. জাবত (প্রখর স্মৃতিশক্তি)। এগুলো সমসাময়িক মুহাদ্দিসদের তাদিল (প্রশংসাপত্র) দ্বারা প্রমাণিত হয়।
مجموعة (ب) [খ-বিভাগ]
٩- عرف المرسل مع ذكر حكمه-
[মুরসাল এর সংজ্ঞা ও হুকুম বর্ণনা কর।]
উত্তর: যে হাদিসের সনদের শেষে সাহাবীর নাম বাদ পড়েছে। জমহুরের মতে তাবিঈ নির্ভরযোগ্য হলে তা গ্রহণযোগ্য।
١٠- ما هو المتواتر؟ بين حكمه-
[মুতাওয়াতির কী? এর হুকুম বর্ণনা কর।]
উত্তর: যে হাদিস প্রত্যেক স্তরে এত বিপুল সংখ্যক রাবি বর্ণনা করেছেন যে তাদের মিথ্যার ওপর একমত হওয়া অসম্ভব। এর ওপর আমল করা ফরজ।
١١- تحدث عن آداب المحدث وطالب الحديث-
[মুহাদ্দিস ও তালিবুল হাদিস এর শিষ্টাচারসমূহ আলোচনা কর।]
উত্তর: উভয়ের নিয়ত বিশুদ্ধ হতে হবে। মুহাদ্দিস বিনা অজুতে হাদিস বর্ণনা করবেন না। শিক্ষার্থী উস্তাদকে সম্মান করবে।
١٢- ما الخبر الغريب؟ اذكر مثالا من الغريب-
[গরীব হাদিস কাকে বলে? গরীব হাদিসের একটি উদাহরণ দাও।]
উত্তর: যে সনদের কোনো স্তরে মাত্র একজন বর্ণনাকারী থাকেন। উদাহরণ: “ইন্নামাল আ’মালু বিন নিয়্যাত” হাদিসটি।
١٣- ما الفرق بين الحديث المدلس والمرسل الخفى؟
[হাদিস মুদাল্লাস ও মুরসালে খফী এর মধ্যকার পার্থক্য কী?]
উত্তর: মুদাল্লাস হলো উস্তাদের নাম গোপন করা। আর মুরসালে খফী হলো সমসাময়িক এমন ব্যক্তির নাম থেকে বর্ণনা করা যার সাথে দেখা হলেও হাদিস শোনেননি।
١٤- ما هى طرق تحمل الحديث؟
[হাদিস ধারণ করার পদ্ধতিগুলো কী কী?]
উত্তর: সামা’ (শোনা), কিরাআত (পড়ে শোনানো), ইজাযত (অনুমতি পাওয়া) ইত্যাদি।
١٥- ما هى شروط قبول المعنعن؟
[মু’আন’আন হাদিস গ্রহণযোগ্য হওয়ার শর্তগুলো কী কী?]
উত্তর: ‘আন’ শব্দযোগে বর্ণিত হাদিস। শর্ত: রাবি মুদাল্লিস না হওয়া এবং উভয়ের সাক্ষাৎ প্রমাণিত হওয়া।
١٦- ما هى ألفاظ التعديل؟
[আত-তাদীল এর শব্দগুলো কী কী?]
উত্তর: ‘ছিকাহ’ (বিশ্বস্ত), ‘সাদুক’ (সত্যবাদী), ‘হুজ্যাহ’ ইত্যাদি।
৪. دراسة الحديث النبوى [দিরাসাতুল হাদিসিন নাবাবী]
বিষয় কোড: ۲۰۱۰٤ | প্রশ্নপত্র কোড: ۰۷٤
مجموعة (أ) [ক-বিভাগ]
١- (أ) ما معنى الوحى لغة وشرعاً؟ بين أقسام الوحى مفصلا-
[অহী এর শাব্দিক ও শরয়ী অর্থ কী? অহীর প্রকারভেদ বিস্তারিত বর্ণনা কর।]
উত্তর: অহী অর্থ দ্রুত বা গোপনে ইঙ্গিত করা। শরীয়তে: আল্লাহর ঐশী বাণী। প্রকারভেদ: অহী মাতলু (কুরআন) ও গায়রে মাতলু (হাদিস)।
١- (ب) ماذا تعرف عن كيفيات نزول الوحى؟ بين ممثلا-
[অহী নাজিলের পদ্ধতিসমূহ সম্পর্কে কী জানো? উদাহরণসহ বর্ণনা কর।]
উত্তর: ঘণ্টার আওয়াজের মতো, ফেরেশতা মানুষের রূপ ধারণ করে আসা, সত্য স্বপ্নের মাধ্যমে ইত্যাদি।
٢- (أ) عرف العلم لغة وشرعا، ثم بين أقسام العلم بالإيجاز-
[ইলম এর শাব্দিক ও পারিভাষিক সংজ্ঞা দাও। অতঃপর সংক্ষেপে ইলমের প্রকারভেদ বর্ণনা কর।]
উত্তর: ইলম অর্থ জ্ঞান। পরিভাষায়: বস্তু বা বিষয়কে তার প্রকৃত অবস্থায় অনুধাবন করা। প্রকার: ইলমে নাফে’ (উপকারী) ও গায়রে নাফে’ (ক্ষতিকর)।
٢- (ب) اشرح قوله عليه السلام: “من يرد الله به خيرا يفقهه فى الدين”-
[নবী (সা) এর বাণী “আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করেন” এর ব্যাখ্যা কর।]
উত্তর: দ্বীনের সঠিক জ্ঞান (ফিকহ) অর্জন করা আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষণ।
٣- (أ) ما الإيمان؟ وما الفرق بين الإيمان والإسلام؟ بين-
[ঈমান কী? ঈমান ও ইসলামের মাঝে পার্থক্য কী? বর্ণনা কর।]
উত্তর: ঈমান হলো অন্তরের অভ্যন্তরীণ বিশ্বাস, আর ইসলাম হলো বাহ্যিক আত্মসমর্পণ বা আমল।
٣- (ب) اكتب نبذة عن سيرة أبى هريرة رضى الله عنه-
[আবু হুরায়রা (রা) এর জীবনী সংক্ষেপে লেখ।]
উত্তর: তাঁর আসল নাম আবদুর রহমান ইবনে সাখর। তিনি সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবী।
٤- (أ) عرف الصوم ثم بين أهمية الصوم فى الشريعة الإسلامية-
[সাওম এর সংজ্ঞা দাও। অতঃপর ইসলামী শরীয়তে সাওম বা রোজার গুরুত্ব বর্ণনা কর।]
উত্তর: সাওম অর্থ বিরত থাকা। গুরুত্ব: এটি ইসলামের অন্যতম রুকন এবং তাকওয়া অর্জনের প্রধান মাধ্যম।
٤- (ب) حقق الكلمات الآتية: غلقت، باغى، ليلة، لم يغلق-
[নিম্নোক্ত শব্দগুলোর তাহকিক কর: غلقت، باغى، ليلة، لم يغلق।]
উত্তর: غلقت: বন্ধ করা হলো, باغى: অন্বেষণকারী, ليلة: রাত, لم يغلق: বন্ধ করা হয়নি।
٥- (أ) كيف يطهر الإناء إذا ولغ الكلب فيه؟ بين اختلاف العلماء فيه-
[কুকুর পাত্রে মুখ দিলে তা কীভাবে পবিত্র করা যায়? এ ব্যাপারে ওলামাদের মতভেদ বর্ণনা কর।]
উত্তর: শাফেয়ী মতে ৭ বার ধোয়া ওয়াজিব। কিন্তু হানাফী মতে, ৩ বার ধুলেই পবিত্র হয়ে যাবে, ৭ বার ধোয়া মুস্তাহাব।
٥- (ب) عرف الكلب المعلم وما هى شروط الكلب المعلم؟ هل يجوز قتل الكلاب؟
[শিক্ষিত কুকুর এর সংজ্ঞা দাও এবং শর্তগুলো কী? কুকুর হত্যা করা কি বৈধ?]
উত্তর: যাকে শিকারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিকর ও পাগল কুকুর হত্যা করা জায়েজ।
٦- (أ) ما معنى السواك؟ وما هى الأحوال التى يستحب فيها السواك؟ بين بالإيجاز-
[মিসওয়াক এর অর্থ কী? কোন কোন অবস্থায় মিসওয়াক করা মুস্তাহাব? সংক্ষেপে বর্ণনা কর।]
উত্তর: মিসওয়াক অর্থ দাঁত মাজার কাঠি। মুস্তাহাব অবস্থা: ওজুর সময়, নামাজের পূর্বে, ঘুম থেকে ওঠার পর।
٦- (ب) هل السواك سنن الوضوء أم سنن الصلاة؟ بين-
[মিসওয়াক কি ওজুর সুন্নত নাকি নামাজের সুন্নত? বর্ণনা কর।]
উত্তর: হানাফী মাযহাব মতে মিসওয়াক ওযুর সুন্নত। তবে শাফেয়ী মাযহাব মতে এটি নামাজের সুন্নত।
٧- (أ) بين سبب الورود لهذا الحديث-
[নিয়তের হাদিসটির শানে উরূদ বা প্রেক্ষাপট বর্ণনা কর।]
উত্তর: এক ব্যক্তি ‘উম্মে কায়েস’ নামক এক মহিলাকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেছিল। এর প্রেক্ষিতে রাসূল (সা) এটি বর্ণনা করেন।
٧- (ب) هل النية شرط لكل عمل؟ وما الفرق بين النية والإرادة؟ بين-
[নিয়ত কি প্রতিটি আমলের জন্য শর্ত? নিয়ত ও ইরাদার মাঝে পার্থক্য কী? বর্ণনা কর।]
উত্তর: হ্যাঁ, ইবাদত কবুল হওয়ার জন্য নিয়ত শর্ত। নিয়ত হলো সুনির্দিষ্ট সংকল্প, আর ইরাদা হলো সাধারণ ইচ্ছা।
٨- (أ) اكتب واقعة فتح مكة بالإيجاز-
[মক্কা বিজয়ের ঘটনা সংক্ষেপে লেখ।]
উত্তর: অষ্টম হিজরিতে রাসূল (সা) ১০ হাজার সাহাবীর বাহিনী নিয়ে বিনা রক্তপাতে মক্কা বিজয় করেন।
٨- (ب) اكتب تعريف الجهاد لغة وشرعا، ثم بين أقسامه وحكمه ومشروعيته فى الإسلام-
[জিহাদ এর শাব্দিক ও শরয়ী সংজ্ঞা লেখ। অতঃপর এর প্রকারভেদ, হুকুম বর্ণনা কর।]
উত্তর: জিহাদ অর্থ সর্বাত্মক চেষ্টা করা। সাধারণ অবস্থায় ফরজে কিফায়া, তবে রাষ্ট্রপ্রধান ডাক দিলে ফরজে আইন।
٩- (أ) ما معنى الحج لغة وشرعاً؟ وكم قسماً له؟ ومتى فرض الحج؟
[হজ এর শাব্দিক ও শরয়ী অর্থ কী? এটি কত প্রকার? এবং হজ কখন ফরজ হয়?]
উত্তর: হজ অর্থ ইচ্ছা করা। প্রকারভেদ: ৩ প্রকার। হজ ৯ম হিজরিতে ফরজ হয়।
٩- (ب) ما معنى الميقات؟ وكم هى؟ وأى ميقات لأهل بنغلاديش؟
[মীকাত এর অর্থ কী? মীকাত কয়টি? বাংলাদেশের অধিবাসীদের জন্য মীকাত কোনটি?]
উত্তর: মীকাত অর্থ নির্দিষ্ট স্থান। মীকাত ৫টি। বাংলাদেশের মীকাত হলো ‘ইয়ালামলাম’।
١٠- (أ) ما معنى الزكاة لغة وشرعاً؟ وما المراد بالصدقة ههنا؟
[যাকাত এর শাব্দিক ও শরয়ী অর্থ কী? এখানে সাদাকা দ্বারা কী উদ্দেশ্য?]
উত্তর: যাকাত অর্থ পবিত্রতা ও বৃদ্ধি। এখানে সাদাকা দ্বারা ফরজ যাকাতকে বোঝানো হয়েছে।
١٠- (ب) هل تجب الزكاة على الصبى والمجنون إذا كان متمولان؟ ثم بين مصارف الزكاة مفصلا-
[নাবালেগ ও পাগল ব্যক্তি সম্পদশালী হলে তাদের ওপর কি যাকাত ফরজ? অতঃপর যাকাতের খাতসমূহ বিস্তারিত বর্ণনা কর।]
উত্তর: হানাফী মাজহাব মতে নাবালেগ ও পাগলের সম্পদে যাকাত ফরজ নয়। যাকাতের খাত ৮টি।
مجموعة (ب) [খ-বিভাগ]
١١- اكتب نبذة عن حياة الإمام الترمذى رحمه الله تعالى مع بيان خصائص سننه ومنزلته بين الصحاح-
[ইমাম তিরমিযী (রহ)-এর জীবনী সংক্ষেপে লেখ এবং তাঁর ‘সুনান’ গ্রন্থের বৈশিষ্ট্য ও সিহাহ সিত্তার মধ্যে এর মর্যাদা বর্ণনা কর।]
উত্তর: তিনি ইমাম বুখারীর ছাত্র ছিলেন। তাঁর সুনানে প্রতিটি হাদিসের শেষে এর মান (সহীহ, হাসান) উল্লেখ করা হয়েছে।
١٢- وازن بين الصحيح للبخارى والصحيح لمسلم-
[সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের মাঝে তুলনামূলক আলোচনা কর।]
উত্তর: বুখারী শরীফের শর্ত মুসলিম শরীফের চেয়ে কঠিন। সার্বিক বিশুদ্ধতায় বুখারী শ্রেষ্ঠ, তবে সাজানো গোছানোর দিক থেকে মুসলিম অনবদ্য।
৫. الفرق الإسلامية وعقائدها [আল-ফিরাকুল ইসলামিয়্যাহ ওয়া আক্বাইদুহা]
বিষয় কোড: ۲۰۱۰٥ | প্রশ্নপত্র কোড: ۰۷٥
مجموعة (أ) [ক-বিভাগ]
١- من اهل السنة والجماعة؟ وما الاشعرية والماتريدية؟ بين موضحا-
[আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত কারা? আশারিয়া ও মাতুরিদিয়া কী? বিশদভাবে বর্ণনা কর।]
উত্তর: যারা কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরণ করে। আশারিয়া ও মাতুরিদিয়া উভয়ই আহলে সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত দুটি আকিদাগত দল।
٢- بين أهمية العقيدة وضرورتها فى حياة المسلم فى ضوء القرآن والسنة-
[কুরআন ও হাদিসের আলোকে মুসলমানের জীবনে আক্বীদার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা কর।]
উত্তর: আক্বীদা হলো ঈমানের মূল ভিত্তি। আক্বীদা বিশুদ্ধ না হলে কোনো আমল কবুল হয় না।
٣- من الخوارج؟ ما هى أبرز العقائد التى تميزهم عن غيرهم من الفرق؟ بين موضحا-
[খারিজী কারা? তাদের ও অন্যান্য ফিরকার মধ্যে পার্থক্য নিরূপণকারী আক্বিদাসমূহ কী কী? বিশদভাবে বর্ণনা কর।]
উত্তর: যারা আলী (রা)-এর দল ত্যাগ করে বিদ্রোহ করেছিল। তারা কবিরা গুনাহগারকে কাফির মনে করে।
٤- اكتب تاريخ نشأة الشيعة ثم اذكر الفرق بين الشيعة الزيدية والشيعة الإثنى عشرية-
[শিয়া সম্প্রদায়ের উৎপত্তির ইতিহাস লেখ। অতঃপর শিয়া যায়দিয়া ও শিয়া ইসনা আশারিয়ার মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ কর।]
উত্তর: যায়দিয়া প্রথম তিন খলিফাকে মানে, আর ইসনা আশারিয়া ১২ জন মাসুম ইমামে বিশ্বাসী এবং চরমপন্থি।
٥- من الأشاعرة؟ قارن بين عقيدة الأشاعرة وعقيدة المعتزلة فى صفات الله تعالى-
[আশআরী কারা? আল্লাহর পবিত্র গুণাবলি বা সিফাতের ক্ষেত্রে আশআরী ও মু’তাযিলা সম্প্রদায়ের আক্বীদার মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।]
উত্তর: আশআরীরা বিশ্বাস করে আল্লাহর গুণাবলি তাঁর সত্তার সাথেই বিদ্যমান। মু’তাযিলারা গুণাবলিকে অস্বীকার করে।
٦- عرف المرجئة ثم قارن بين موقف المعتزلة والمرجئة من مرتكب الكبيرة-
[মুরজিয়া সম্প্রদায়ের পরিচয় দাও। কবিরা গুনাহে লিপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে মুতাযিলা ও মুরজিয়া সম্প্রদায়ের অবস্থান তুলনা কর।]
উত্তর: মুরজিয়াদের মতে, কবিরা গুনাহগার পূর্ণ মুমিন। মুতাযিলাদের মতে, সে মুমিন ও কাফিরের মাঝামাঝি।
٧- من الجبرية؟ وكيف واجه أهل السنة والجماعة فكرهم؟ بين-
[জাবারিয়া কারা? কীভাবে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত তাদের চিন্তাধারার মোকাবেলা করেছিল? বর্ণনা কর।]
উত্তর: জাবারিয়া বিশ্বাস করে মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা নেই। আহলে সুন্নাত ‘কাসব’ তত্ত্ব দিয়ে এর মোকাবেলা করেছে।
٨- من أهل القرآن؟ وما عقيدتهم؟ بين موقف أهل السنة والجماعة منهم-
[আহলুল কুরআন কারা? তাদের আক্বীদা কী? তাদের ব্যাপারে আহলে সুন্নাতের অবস্থান আলোচনা কর।]
উত্তর: এরা শুধু কুরআন মানে এবং হাদিস অস্বীকার করে। আহলে সুন্নাতের মতে এরা পথভ্রষ্ট।
مجموعة (ب) [খ-বিভাগ]
٩- ما مفهوم ‘المهدى المنتظر’ عند الشيعة؟ بين موضحا-
[শিয়াদের নিকট ‘আল মাহদী আল মুনতাজার’ এর অর্থ কী? বিশদভাবে বর্ণনা কর।]
উত্তর: তাদের বিশ্বাস, ১২তম ইমাম আত্মগোপন করেছেন এবং শেষ জামানায় পুনরায় আবির্ভূত হবেন।
١٠- اشرح عقيدة الإرجاء عند المرجئة-
[মুরজিয়া সম্প্রদায়ের ‘আল-ইরজা’ আক্বীদাটি ব্যাখ্যা কর।]
উত্তর: গুনাহগার ব্যক্তির ফয়সালা দুনিয়াতে না দিয়ে পরকালে আল্লাহর ওপর স্থগিত রাখা।
١١- تحدث عن مبدأ ‘المنزلة بين المنزلتين’ عند المعتزلة موجزاً-
[মু’তাযিলা সম্প্রদায়ের ‘আল-মানযিলাতু বাইনাল মানযিলাতাইন’ নীতি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।]
উত্তর: এর অর্থ কবিরা গুনাহগার ব্যক্তি মুমিন ও কাফিরের মাঝামাঝি এক নতুন স্তরে অবস্থান করে।
١٢- عرف البهائية ثم بين عقائدهم الأساسية-
[বাহায়ী সম্প্রদায়ের পরিচয় দাও। তাদের মৌলিক আক্বিদাসমূহ বর্ণনা কর।]
উত্তর: তারা ইসলামকে রহিত মনে করে এবং রাসূল (সা)-কে শেষ নবী মানে না।
١٣- بين موقف أهل السنة والجماعة من القاديانية مدللا-
[কাদিয়ানীদের ব্যাপারে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অবস্থান দলিল-প্রমাণসহ বর্ণনা কর।]
উত্তর: কাদিয়ানীরা অমুসলিম ও কাফির, কারণ তারা খাতামুন নাবিয়্যিন আকিদা অস্বীকার করে।
١٤- اذكر عقيدة أهل السنة والجماعة فى الملائكة والكتب والرسل-
[ফেরেশতা, আসমানি কিতাব ও নবি রাসূলগণের ব্যাপারে আহলে সুন্নাতের আক্বীদা উল্লেখ কর।]
উত্তর: ফেরেশতারা নূরের তৈরি ও নিষ্পাপ। কিতাবসমূহ আল্লাহর বাণী। রাসূলগণ মাসুম।
١٥- عرف فرقة الباطنية موجزا-
[বাতেনী সম্প্রদায়ের পরিচয় সংক্ষেপে তুলে ধর।]
উত্তর: যারা বিশ্বাস করে যে শরীয়তের প্রতিটি আদেশের একটি গোপন বা ‘বাতেনী’ অর্থ রয়েছে।
١٦- اكتب ثلاث آيات قرآنية فى ذم الافتراق والاختلاف بين المسلمين مع ترجمتها باللغة البنغالية-
[বাংলা অনুবাদসহ মুসলিমদের মধ্যে অনৈক্য ও বিভেদের প্রতি নিন্দাসূচক কুরআনের তিনটি আয়াত লেখ।]
উত্তর: “তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।” (সূরা আল ইমরান: ১০৩)
৬. دفع الشبهات المزعومة حول القرآن الكريم [দাফউশ শুবহাত]
বিষয় কোড: ۲۰۱۰٦ | প্রশ্নপত্র কোড: ۰۷٦
مجموعة (أ) [ক-বিভাগ]
١- ما هى الشبهات المزعومة حول نزول الوحى؟ وكيف تردها؟
[নযূল ওহী সম্পর্কে অমূলক সন্দেহগুলো কী কী? ঐ সন্দেহগুলো খণ্ডন করবে কীভাবে?]
উত্তর: প্রাচ্যবিদদের সন্দেহ ওহী বলতে কিছু নেই, এটি মৃগীরোগের প্রভাব। খণ্ডন: রাসূল (সা) ছিলেন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী, কুরআনের গভীর জ্ঞান কোনো রোগীর হতে পারে না।
٢- كيف كان جمع القرآن؟ وما هى الشبهات المزعومة حول جمع القرآن؟ ردد الشبهات بالادلة-
[কুরআন সংকলন কীভাবে হয়েছিল? কুরআন সংকলন নিয়ে অমূলক সন্দেহগুলো কী কী? দলিল দ্বারা ঐ সন্দেহসমূহ খণ্ডন কর।]
উত্তর: আবু বকর (রা) ও উসমান (রা)-এর যুগে সংকলিত হয়। সন্দেহ: এটি স্মৃতি নির্ভর তাই ভুল হতে পারে। জবাব: এটি শুধু স্মৃতির ওপর নয়, লিখিত দলিলের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছিল।
٣- اذكر خمس أيات متناقضة بزعم المستشرقين- ثم اثبت انها غير متناقضة-
[প্রাচ্যবিদদের ধারণা অনুযায়ী পাঁচটি পারস্পরিক সাংঘর্ষিক আয়াত উল্লেখ কর। অতঃপর প্রমাণ কর যে এগুলো সাংঘর্ষিক নয়।]
উত্তর: সূরা ফুসসিলাতের ৯-১২ আয়াত দেখিয়ে আকাশ-জমিন সৃষ্টিতে ৮ দিন লাগার দাবি করা হয়। জবাব: এটি সাংঘর্ষিক নয়, আয়াতে জমিন সৃষ্টি ও খাদ্যের ব্যবস্থায় মোট ৪ দিন এবং আসমান সৃষ্টিতে ২ দিন, সব মিলিয়ে ৬ দিন বোঝানো হয়েছে।
٤- زعم بعض الكفار ان فى القرآن زيادة ونقصان من جهة النبى صلى الله عليه وسلم، اجب الزعم الباطل بالأدلة-
[কতক কাফেরের ধারণা হলো “নবি মুহাম্মদ (স) নিজের পক্ষ থেকে কুরআনে হ্রাস-বৃদ্ধি করেছেন” – যুক্তি প্রমাণ দ্বারা তাদের অবাস্তব ধারণার জবাব দাও।]
উত্তর: এটি অবাস্তব। রাসূল (সা) ছিলেন নিরক্ষর। আল্লাহ নিজেই এর রক্ষক (সূরা হিজর: ৯)।
٥- ما هى الشبهات فى المكى والمدنى؟ اوضح بالامثلة مع دفع الشبهات-
[মাক্কী ও মাদানী সংক্রান্ত সন্দেহগুলো কী? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করে সংশয় নিরসন কর।]
উত্তর: সন্দেহ: মাক্কী ছোট আর মাদানী আয়াত বড় হওয়া মুহাম্মদের মানসিক পরিবর্তন। জবাব: এটি মানসিক পরিবর্তন নয়, পরিবেশের দাবি ছিল।
٦- انزل القرآن على سبعة احرف، ان كان كلها صحيحا معمولا فلم احرق الصحابة (رض) ستا منها؟
[কুরআন নাযিল হয়েছে সাত রকমে, প্রত্যেকটি যদি সহিহ হিসেবে আমল হয়ে থাকে, তাহলে সাহাবাগণ (রা) ছয় প্রকারের কুরআন জ্বালিয়ে দিলেন কেন?]
উত্তর: মুসলিম উম্মাহকে বিভেদ ও ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এবং ঐক্য ধরে রাখতে সাহাবায়ে কেরাম কুরাইশী কিরাতের ওপর সবাইকে এক করেন।
٧- اذكر بعض الواقعات المذكورة فى القرآن التى يزعم بها الزاعمون خلاف عصمة الأنبياء عليهم الصلوة والسلام ثم اجب عن شبهاتهم-
[কুরআনে বর্ণিত এমন কিছু ঘটনা উল্লেখ কর, যার উপর ভিত্তি করে লোকেরা নবিগণ (আ) মা’সুম নন বলে ধারণা করে। অতঃপর তাদের সন্দেহের জবাব দাও।]
উত্তর: যেমন আদম (আ)-এর ফল খাওয়া। জবাব: নবীগণ মাসুম। তাঁরা ইচ্ছাকৃত পাপ করেননি, বরং ইজতিহাদ জনিত ভুল করেছিলেন।
٨- اكتب اسماء القراء السبعة- ثم اذكر ماذا تعلم عن شبهات المشككين حول القرأة للقرآن-
[সাত ক্বারীর নাম লেখ। কুরআনের কিরাত সম্পর্কে সন্দেহকারীদের অমূলক সন্দেহ সম্পর্কে যা জান তা উল্লেখ কর।]
উত্তর: নাফে, ইবনে কাসির, আবু আমর, ইবনে আমের, আসেম, হামজা এবং কিসায়ী। কিরাতগুলো মুতাওয়াতির সূত্রে রাসূল থেকে প্রমাণিত।
مجموعة (ب) [খ-বিভাগ]
٩- عرف القرآن لغة واصطلاحا مع بيان وجه التسمية-
[কুরআন শব্দের আভিধানিক ও পারিভাষিক সংজ্ঞা ও নামকরণের হেতু বর্ণনা কর।]
উত্তর: এটি দুনিয়াতে সবচেয়ে বেশি পঠিত গ্রন্থ, তাই এর নাম কুরআন রাখা হয়েছে।
١٠- ما معنى الوحى وكم قسما له؟ قال تعالى: اوحينا الى ام موسى، هل هى من الانبياء-
[ওহী শব্দের অর্থ কী? “আমি মুসা নবি (আ) এর মায়ের প্রতি ওহী প্রেরণ করলাম”, তাহলে কি মুসা (আ) এর মাও নবি ছিলেন?]
উত্তর: না, মুসা (আ) এর মা নবী ছিলেন না। এটি ছিল ‘ইলহাম’ বা ঐশী অনুপ্রেরণা।
١١- اكتب الايات التى فيها ذكر حقوق النساء-
[নারী অধিকার সংক্রান্ত আয়াতসমূহ লেখ।]
উত্তর: “পিতামাতা ও আত্মীয়স্বজনের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারীদেরও নির্দিষ্ট অংশ রয়েছে।” (সূরা নিসা: ৭)
١٢- اذكر الشبهات حول الاخطاء الحسابية فى القرآن ثم اجب عن الشبهات-
[কুরআনে গাণিতিক ভুলের সন্দেহসমূহের উল্লেখপূর্বক সন্দেহ খণ্ডন কর।]
উত্তর: মিরাসের অংশে গাণিতিক ভুলের দাবি করা হয়। জবাব: ইসলামী ফিকহে একে ‘আউল’ বলা হয় যা একটি যৌক্তিক গাণিতিক সমাধান।
١٣- ما معنى النسخ؟ اجب عن الشبهات المزعومة حول الناسخ والمنسوخ فى القرآن-
[নাসখ এর অর্থ কী? কুরআনে নাসখ ও মানসুখ সংক্রান্ত অমূলক সন্দেহের জবাব দাও।]
উত্তর: নাসখ অর্থ রহিত করা। ধাপে ধাপে বিধান পরিবর্তন করাটা আল্লাহর অনন্ত প্রজ্ঞা।
١٤- اذكر الشبهات حول تحريف القرآن مع الجواب عنها-
[কুরআন তাহরীফ (বিকৃতি) বিষয়ে অমূলক সন্দেহগুলো জবাবসহ আলোচনা কর।]
উত্তর: আল্লাহ নিজেই এর রক্ষক হওয়ায় একটি হরফও বিকৃত হওয়ার সুযোগ নেই।
١٥- عرف الملائكة ثم ردد الشبهات خلاف عصمة الملائكة-
[ফেরেশতা এর সংজ্ঞা দিন। অতঃপর ফেরেশতাদের মা’সুম হওয়ার বিপক্ষে অমূলক সন্দেহ খণ্ডন কর।]
উত্তর: হারুত ও মারুতের ঘটনাটি ইসরাইলী রূপকথা। তারা মানুষের পরীক্ষার মাধ্যম হিসেবে এসেছিল।
١٦- علق على واحد : (أ) النبى، الرسول؛ (ب) المدنى، المدينى-
[টীকা লেখ একটি: (ক) আন-নবী, আর-রাসূল]
উত্তর: সকল রাসূলই নবী, কিন্তু সকল নবী রাসূল নন।
৭. علم السياسة والإدارة العامة [রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও লোকপ্রশাসন]
বিষয় কোড: ۲۰۱۰۷ | প্রশ্নপত্র কোড: ۰۷۷
مجموعة (أ) [(ক) অংশ]
١- ما المراد بعلم السياسة؟ ثم بين اهمية السياسة فى تأسيس الدولة النموذجية-
[রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলতে কী বুঝায়? আদর্শ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় রাজনীতি এর গুরুত্ব বর্ণনা কর।]
উত্তর: রাষ্ট্রবিজ্ঞান হলো সমাজবিজ্ঞানের সেই শাখা যা রাষ্ট্র ও রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করে। আদর্শ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় এটি সুশাসনের দিকনির্দেশনা দেয়।
٢- ماذا تفهم بالحرية؟ اشرح طبيعة الحرية فى نظر الإسلام-
[স্বাধীনতা বলতে কী বুঝ? ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাধীনতা এর স্বরূপ ব্যাখ্যা কর।]
উত্তর: ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাধীনতা লাগামহীন নয়; এটি শরিয়তের সীমানায় আবদ্ধ।
٣- ما المراد بالقانون؟ وكم مصدرا للقانون وما هي؟ تحدث على ضوء الإسلام-
[আইন এর অর্থ কী? ইসলামের দৃষ্টিতে আইন এর উৎস কয়টি ও কী কী?]
উত্তর: ইসলামের দৃষ্টিতে আইনের উৎস ৪টি: কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা এবং কিয়াস।
٤- ما معنى اشكال الحكم؟ ثم تحدث عن الديمقراطية والدكتاتورية مع بيان افعال مجلس الوزراء-
[সরকার ব্যবস্থা এর অর্থ কী? মন্ত্রিসভার কার্যাবলি বর্ণনাপূর্বক গণতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র সম্পর্কে আলোচনা কর।]
উত্তর: গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন, আর একনায়কতন্ত্র হলো বলপ্রয়োগের শাসন।
مجموعة (ب) [(খ) অংশ]
٥- عرف الشورى- ثم بين اهميته فى الإسلام بالإيجاز-
[শূরার পরিচয় দাও। ইসলামে এর গুরুত্ব সংক্ষেপে বর্ণনা কর।]
উত্তর: শূরা শব্দের অর্থ পারস্পরিক পরামর্শ। এর মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়।
٦- بين اقسام فروع الدستور-
[সংবিধানের শ্রেণিবিভাগ বর্ণনা কর।]
উত্তর: লেখার ভিত্তিতে: লিখিত ও অলিখিত। সংশোধনের ভিত্তিতে: সুপরিবর্তনীয় ও দুষ্পরিবর্তনীয়।
٧- اكتب افعال قسم القضاء-
[বিচার বিভাগের কার্যাবলি লেখ।]
উত্তর: বিচারকার্য সম্পন্ন করা, মৌলিক অধিকার রক্ষা করা।
٨- اكتب خصائص الدستور النموذجي-
[আদর্শ সংবিধানের বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখ।]
উত্তর: সুস্পষ্ট, মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা।
الإدارة العامة [লোকপ্রশাসন] – مجموعة (ج) [(গ) অংশ]
٩- بين الأنظمة الأساسية والخصائص للإدارة الإسلامية-
[ইসলামি লোকপ্রশাসন ব্যবস্থার মৌলিক নীতিমালা ও বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ণনা কর।]
উত্তর: আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আমানতদারি, ন্যায়বিচার এবং শূরা।
١٠- ماذا تفهم بالإدارة العامة الإسلامية؟ تحدث عن أهميته موضحا-
[ইসলামি লোকপ্রশাসন বলতে কী বুঝ? এর গুরুত্ব বিশদভাবে আলোচনা কর।]
উত্তর: এটি সমাজে ইনসাফ কায়েম করে এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
١١- كيف كانت الإدارة العامة في عهد الخلفاء الراشدين؟ بين مفصلا-
[খোলাফায়ে রাশেদীনের যুগে লোকপ্রশাসন কেমন ছিল? বিস্তারিত বর্ণনা কর।]
উত্তর: অত্যন্ত সুশৃঙ্খল, বিকেন্দ্রীকৃত এবং জনকল্যাণমুখী। বায়তুল মাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।
١٢- ما الفرق بين الدستور المكتوب والدستور غير المكتوب؟ ثم بين مزايا الدستور المثالى-
[লিখিত ও অলিখিত সংবিধানের মধ্যে পার্থক্য কী? আদর্শ সংবিধানের বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ণনা কর।]
উত্তর: লিখিত দলিলে থাকা সংবিধান লিখিত, আর প্রথা ও রীতিনীতি নির্ভর সংবিধান অলিখিত।
مجموعة (د) [(ঘ) অংশ]
١٣- اكتب مزايا النظم الإدارية فى الإسلام-
[ইসলামে প্রশাসনিক শৃঙ্খলার বৈশিষ্ট্যাবলি লেখ।]
উত্তর: আখেরাতের জবাবদিহিতা, মেধাভিত্তিক নিয়োগ এবং ঘুষ-দুর্নীতির বিলোপসাধন।
١٤- اكتب صفات القضاة فى الدولة الإسلامية-
[ইসলামি রাষ্ট্রে বিচারকের গুণাবলি লেখ।]
উত্তর: প্রাপ্তবয়স্ক, স্বাধীন, মুসলিম, সৎ এবং শরিয়তের জ্ঞানে পারদর্শী হতে হবে।
١٥- اذكر الفرق بين المجتمع والمنظمة-
[সমাজ ও সংগঠনের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ কর।]
উত্তর: সমাজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে ওঠে, আর সংগঠন নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে কৃত্রিমভাবে তৈরি হয়।
١٦- بين دور الإدارة العامة الإسلامية لإقامة المساواة فى المجتمع-
[সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠায় ইসলামি লোকপ্রশাসনের গুরুত্ব বর্ণনা কর।]
উত্তর: এটি যাকাত ও উশরের মাধ্যমে সম্পদের সুষম বণ্টন করে সাম্য প্রতিষ্ঠা করে।
৮. الإسلام والأديان الأخرى [আল-ইসলাম ওয়াল আদইয়ানুল উখরা]
বিষয় কোড: ۲۰۱۰۸ | প্রশ্নপত্র কোড: ۰۷۸
مجموعة (أ) [(ক) অংশ]
١- عرف الدين ثم بين ضرورته فى حياة الإنسان مفصلا-
[দ্বীন এর সংজ্ঞা দাও। মানবজীবনে দ্বীনের প্রয়োজনীয়তা বিস্তারিত বর্ণনা কর।]
উত্তর: ‘দ্বীন’ অর্থ জীবনব্যবস্থা। আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য দ্বীনের অনুসরণ অপরিহার্য।
٢- اكتب خصائص الإسلام ومحاسنه الاجتماعية والاقتصادية-
[ইসলামের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সৌন্দর্য ও বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখ।]
উত্তর: সামাজিক সৌন্দর্য হলো সাম্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ। অর্থনৈতিক সৌন্দর্য হলো হালাল উপার্জন ও যাকাত ব্যবস্থা।
٣- بين طرق تطبيق الشريعة الإسلامية فى المجتمعات المتعددة الأديان والثقافات-
[বহুধর্ম ও সংস্কৃতির সমাজে ইসলামি শরিয়াহ বাস্তবায়নের পদ্ধতি বর্ণনা কর।]
উত্তর: অমুসলিম নাগরিকদের জান-মালের নিরাপত্তা এবং তাদের ব্যক্তিগত আইনের স্বাধীনতা ইসলাম নিশ্চিত করে।
٤- ما هي طرق تحقيق التوازن بين الثوابت الدينية ومتطلبات التحديث فى المجتمعات الإسلامية؟ بين موضحا-
[ইসলামি সমাজে অপরিবর্তনীয় ধর্মীয় নীতিমালা ও আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করার উপায়গুলো কী? বিশদভাবে বর্ণনা কর।]
উত্তর: ভারসাম্য রক্ষার উপায় হলো ‘ইজতিহাদ’, যার মাধ্যমে মুজতাহিদগণ আধুনিক সমস্যার যৌক্তিক সমাধান দেন।
٥- عرف اليهودية ثم بين عقائدها الأساسية مفصلا-
[ইহুদি ধর্মের পরিচয় দাও। এর মৌলিক আকিদাগুলো বিস্তারিত বর্ণনা কর।]
উত্তর: মুসা (আ)-এর প্রতি অবতীর্ণ তাওরাতের বিকৃত অনুসারীরা। তারা মুহাম্মদ (সা)-কে অস্বীকার করে।
٦- بين أبرز المؤامرات التي خطط لها اليهود ضد المسلمين في المدينة-
[মদিনায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে ইহুদি দ্বারা পরিকল্পিত প্রধান ষড়যন্ত্রসমূহ বর্ণনা কর।]
উত্তর: তারা মদিনা সনদ ভঙ্গ করে খন্দকের যুদ্ধে কাফিরদের সাথে হাত মিলিয়েছিল।
٧- ما هي الطوائف المسيحية؟ بين تاريخ نشأتها وخصائصها مفصلا-
[খ্রিষ্টান সম্প্রদায়গুলো কী? এই সম্প্রদায়গুলোর প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও বৈশিষ্ট্য বিস্তারিত বর্ণনা কর।]
উত্তর: প্রধান তিনটি সম্প্রদায়: ক্যাথলিক, অর্থোডক্স এবং প্রোটেস্ট্যান্ট।
٨- عرف السيخية ثم بين مبادئها وكتبها مع محتواها موضحا-
[শিখ ধর্মের পরিচয় দাও। এর মূলনীতি ও এর গ্রন্থসমূহ আলোচ্য বিষয়সহ বিশদভাবে বর্ণনা কর।]
উত্তর: পঞ্চদশ শতাব্দীতে গুরু নানক এটি প্রতিষ্ঠা করেন। তাদের ধর্মগ্রন্থের নাম ‘গুরু গ্রন্থ সাহেব’।
مجموعة (ب) [(খ) অংশ]
٩- بين أهمية دراسة مقارنة الأديان-
[তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব অধ্যয়নের গুরুত্ব বর্ণনা কর।]
উত্তর: অন্য ধর্মের বিশ্বাস সম্পর্কে জানা এবং ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।
١٠- أوضح مفهوم كلمة الدين والملل والنحل-
[الدين, الملل ও النحل শব্দগুলোর মর্ম স্পষ্টভাবে বর্ণনা কর।]
উত্তর: ‘দ্বীন’ অর্থ ধর্ম, ‘মিলাল’ অর্থ বড় জাতি, আর ‘নিহাল’ অর্থ ধর্মের অভ্যন্তরে সৃষ্ট ক্ষুদ্র দল।
١١- ما الكونفشيوسية؟ بين-
[কনফুসিয়াস কী? বর্ণনা কর।]
উত্তর: প্রাচীন চীনের দার্শনিক কনফুসিয়াস কর্তৃক প্রবর্তিত ইহজাগতিক ও নৈতিক দর্শন।
١٢- ما هى عقيدة المسلمين فى عيسى بن مريم؟ بين مدللا-
[ঈসা (আ) সম্পর্কে মুসলমানদের বিশ্বাস কী? প্রমাণসহ বর্ণনা কর।]
উত্তর: তিনি আল্লাহর রাসূল এবং বিনা পিতায় জন্মগ্রহণ করেন। আল্লাহ তাকে সশরীরে আসমানে তুলে নিয়েছেন।
١٣- بين طقوسي اليهود وعباداتها-
[ইহুদিদের আচার-অনুষ্ঠান ও ইবাদতের বিবরণ দাও।]
উত্তর: তাদের প্রধান আচার হলো ‘সাব্বাথ’ (শনিবারের উপাসনা) এবং ‘কোশার’ খাদ্যবিধি।
١٤- تحدث عن الطبقات الاجتماعية فى الديانة الهندوسية-
[হিন্দু ধর্মের সামাজিক শ্রেণিবৈষম্য সম্পর্কে আলোচনা কর।]
উত্তর: ৪টি বর্ণ: ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য এবং শূদ্র।
١٥- ما هى خصائص الديانة البوذية؟
[বৌদ্ধ ধর্মের বৈশিষ্ট্য কী কী?]
উত্তর: এটি নিরীশ্বরবাদী ধর্ম। এর চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ‘নির্বাণ’ অর্জন করা।
١٦- من كونفوشيوس؟ بين تعاليمه الأساسية-
[কনফুসিয়াস কে? তার মৌলিক শিক্ষার বর্ণনা দাও।]
উত্তর: তিনি প্রাচীন চীনের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক। তাঁর শিক্ষা ছিল: মানবিকতা, শিষ্টাচার ও ভক্তি।






