Computer Literacy (কম্পিউটার লিটারেসি) 201207 – Fazil Hons Al Quran 2nd Year 2022 QnA

Join Our Telegram Channel
দ্রুত নতুন বই পেতে যুক্ত থাকুন
Join Now
admin
computer literacy 201207 fazil hons al quran 2nd year 2022 qna
Join Our WhatsApp Channel
দ্রুত নতুন বই পেতে যুক্ত থাকুন
Join Now
📋 সূচিপত্র (Table of Contents)

Computer Literacy (Code: 201207) – ২০২২ প্রশ্ন ও উত্তর

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফাজিল স্নাতক (সম্মান) ২য় বর্ষ পরীক্ষা ২০২২ এর আল-কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের কম্পিউটার লিটারেসি বিষয়ের সম্পূর্ণ উত্তরমালা।

বিঃদ্রঃ পরীক্ষার্থীদের আগামী পরীক্ষার সর্বোচ্চ প্রস্তুতির সুবিধার্থে মূল প্রশ্নপত্রের ক ও খ উভয় বিভাগের বিকল্প সবগুলোর (অথবা) প্রশ্নের ১০০% নির্ভুল ও তথ্যবহুল উত্তর বিস্তারিতভাবে নিচে দেওয়া হলো।

ক বিভাগ – রচনামূলক প্রশ্ন [যেকোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও]

১। কম্পিউটারের প্রজন্ম বলতে কী বুঝ? প্রজন্মকে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে? বর্ণনা কর।

[What do you mean by the generation of computer? How many kinds of generation has divided describe.]

কম্পিউটারের প্রজন্ম (Generation of Computer):
প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নয়নের ফলে কম্পিউটারের আকার, আকৃতি, কর্মক্ষমতা এবং ব্যবহারিক প্রযুক্তিতে যে আমূল ও যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, কম্পিউটারের ইতিহাসে সেই একেকটি প্রযুক্তিগত বিবর্তনের ধাপ বা পর্যায়কে ‘কম্পিউটারের প্রজন্ম’ বলা হয়।

প্রজন্মের প্রকারভেদ ও বর্ণনা:
কম্পিউটারের প্রজন্মকে প্রধানত ৫টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে:

  1. প্রথম প্রজন্ম (১৯৪৬ – ১৯৫৯):
    এই প্রজন্মের কম্পিউটারে ‘ভ্যাকুয়াম টিউব’ বা বায়ুশূন্য বাল্ব ব্যবহার করা হতো। এগুলো আকারে অত্যন্ত বড় ছিল (কখনো কখনো একটি পুরো ঘরের সমান) এবং প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হতো ও প্রচুর তাপ উৎপন্ন হতো। এই প্রজন্মের কম্পিউটারে নির্দেশ দেওয়ার জন্য মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ এবং পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করা হতো। উদাহরণ: ENIAC, UNIVAC.
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৫৯ – ১৯৬৫):
    ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ‘ট্রানজিস্টর’ ব্যবহৃত হতে শুরু করে। ফলে কম্পিউটারের আকার ছোট, গতি বেশি এবং তাপ উৎপাদন কম হতে থাকে। এই প্রজন্মে অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ ও ফোরট্রান, কোবলের মতো হাই লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহৃত হওয়া শুরু হয়। উদাহরণ: IBM 1401, IBM 1620.
  3. তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬৫ – ১৯৭১):
    ট্রানজিস্টরের পরিবর্তে ‘ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট’ (IC) ব্যবহার শুরু হয়। এতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর একটি ছোট সিলিকন চিপের ওপর বসানো থাকে। ফলে কম্পিউটারের গতি ও নির্ভরযোগ্যতা বহুগুণ বেড়ে যায় এবং মনিটর ও কীবোর্ডের ব্যবহার শুরু হয়। উদাহরণ: IBM 360, PDP-8.
  4. চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭১ – বর্তমান):
    এই প্রজন্মের কম্পিউটারে ‘মাইক্রোপ্রসেসর’ বা Very Large Scale Integration (VLSI) প্রযুক্তির ব্যবহার হয়। একটিমাত্র চিপে লক্ষ লক্ষ ট্রানজিস্টর বসানো সম্ভব হয়। ফলে পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি’র উদ্ভব ঘটে। এগুলো অত্যন্ত সস্তা, ছোট এবং শক্তিশালী। উদাহরণ: Apple Macintosh, IBM PC.
  5. পঞ্চম প্রজন্ম (বর্তমান ও ভবিষ্যৎ):
    এই প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এগুলোতে Ultra Large Scale Integration (ULSI) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এরা মানুষের ভাষা বুঝতে পারে, নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং রোবোটিক্সে ব্যবহৃত হয়।

২। ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস কী? কয়েকটি ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের নাম লেখ এবং এদের সম্পর্কে সংক্ষেপে বর্ণনা কর।

[What is the input and output device? Write down some input and output device and briefly describe them.]

ইনপুট ডিভাইস:
যেসব যন্ত্রপাতির মাধ্যমে কম্পিউটারের সিপিইউ (CPU)-কে ব্যবহারকারীর পক্ষ থেকে ডেটা বা নির্দেশাবলি প্রদান করা হয়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

কয়েকটি ইনপুট ডিভাইসের নাম ও বর্ণনা:
* কীবোর্ড (Keyboard): এটি সবচেয়ে সাধারণ এবং বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস। এর মাধ্যমে অক্ষর, সংখ্যা ও বিভিন্ন চিহ্ন টাইপ করে কম্পিউটারে ডেটা প্রবেশ করানো হয়।
* মাউস (Mouse): এটি একটি পয়েন্টিং ডিভাইস। কম্পিউটারের স্ক্রিনে কার্সর নাড়ানো এবং কোনো আইকনে ক্লিক করে কমান্ড দেওয়ার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
* স্ক্যানার (Scanner): এর মাধ্যমে যেকোনো ছবি বা মুদ্রিত লেখাকে স্ক্যান করে হুবহু ডিজিটাল কপিতে রূপান্তর করে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা যায়।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে ডেটা প্রসেসিং হওয়ার পর যে ফলাফল তৈরি হয়, তা ব্যবহারকারীর কাছে বোধগম্য করে প্রকাশ করার জন্য যেসব যন্ত্র ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

কয়েকটি আউটপুট ডিভাইসের নাম ও বর্ণনা:
* মনিটর (Monitor): এটি সবচেয়ে পরিচিত আউটপুট ডিভাইস, যা টেলিভিশনের মতো দেখতে। কম্পিউটারের সকল কাজের ফলাফল এবং ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত হয়।
* প্রিন্টার (Printer): কম্পিউটারে থাকা কোনো ডকুমেন্ট বা ছবিকে কাগজে প্রিন্ট বা মুদ্রণ করার জন্য প্রিন্টার ব্যবহৃত হয়।
* স্পিকার (Speaker): কম্পিউটারের অডিও বা সাউন্ড ফলাফল হিসেবে আউটপুট দেওয়ার জন্য স্পিকার ব্যবহৃত হয়।

৩। কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ (CPU) কী? কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের গঠন বর্ণনা কর।

[What is central processing unit? Describe the organization of central processing unit.]

কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ (CPU):
CPU এর পূর্ণরূপ হলো Central Processing Unit। এটি কম্পিউটারের মস্তিষ্কস্বরূপ। কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক হিসাব-নিকাশ, যৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অন্যান্য সকল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারকে নিয়ন্ত্রণ করার মূল কাজগুলো সিপিইউ সম্পন্ন করে থাকে। আধুনিক কম্পিউটারে সিপিইউ একটিমাত্র মাইক্রোপ্রসেসর চিপের মধ্যে অবস্থান করে।

সিপিইউ এর গঠন:
সিপিইউ প্রধানত তিনটি মূল অংশ নিয়ে গঠিত:

  1. অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (Arithmetic Logic Unit – ALU):
    এটি সিপিইউ এর সেই অংশ যেখানে যাবতীয় গাণিতিক কাজ (যেমন: যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ) এবং যৌক্তিক কাজ (যেমন: দুটি সংখ্যার মধ্যে তুলনা করা, হ্যাঁ বা না সিদ্ধান্ত নেওয়া) সম্পন্ন হয়। ডেটা প্রসেসিংয়ের মূল কাজটি এখানেই ঘটে।
  2. কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit – CU):
    কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের ট্রাফিক পুলিশের মতো কাজ করে। এটি নিজে কোনো ডেটা প্রসেস করে না, বরং মেমরি থেকে নির্দেশ (ইন্সট্রাকশন) পড়ে, তা ডিকোড করে এবং এএলইউ, মেমরি ও ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসগুলোকে নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করার জন্য সিগন্যাল প্রদান করে।
  3. রেজিস্টার বা মেমরি ইউনিট (Register / Memory Unit):
    রেজিস্টার হলো সিপিইউ এর ভেতরে থাকা অতি ক্ষুদ্র কিন্তু অত্যন্ত দ্রুতগতির কিছু মেমরি কোষ। এএলইউ যখন ডেটা প্রসেস করে, তখন তাৎক্ষণিক ডেটা, নির্দেশ এবং প্রসেসিংয়ের মধ্যবর্তী ফলাফলগুলো সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। এর গতি র্যাম (RAM) এর চেয়েও অনেক বেশি।

৪। Windows কী? এর ভার্সনগুলো সম্পর্কে সংক্ষেপে বর্ণনা কর।

[What is windows? Briefly describe the version of windows.]

Windows কী:
উইন্ডোজ (Windows) হলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক উদ্ভাবিত বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ‘গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI)’ ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (OS)। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। উইন্ডোজে মাউস দিয়ে আইকনে ক্লিক করে খুব সহজেই কমান্ড দেওয়া যায়, যা সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য কম্পিউটার চালনাকে অত্যন্ত সহজ করে তুলেছে।

উইন্ডোজের বিভিন্ন ভার্সন বা সংস্করণ:
মাইক্রোসফট তাদের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের অনেকগুলো ভার্সন রিলিজ করেছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

  • Windows 1.0 থেকে 3.1: এগুলো ছিল উইন্ডোজের প্রাথমিক সংস্করণ, যা মূলত এমএস ডস (MS-DOS) এর ওপর ভিত্তি করে চলত এবং এতে প্রথম মাউস ও গ্রাফিক্সের ব্যবহার শুরু হয়।
  • Windows 95 ও 98: এগুলো উইন্ডোজের ইতিহাসে যুগান্তকারী ছিল। এতে প্রথম স্টার্ট বাটন, টাস্কবার এবং ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার যুক্ত করা হয়।
  • Windows XP: ২০০১ সালে রিলিজ হওয়া এটি অন্যতম সফল এবং স্থিতিশীল অপারেটিং সিস্টেম ছিল, যার ইউজার ইন্টারফেস ছিল অত্যন্ত চমৎকার এবং ব্যবহারবান্ধব।
  • Windows 7: ২০০৯ সালে রিলিজ হওয়া এই ভার্সনটি তার উচ্চ গতি, দৃষ্টিনন্দন এরো গ্লাস ইন্টারফেস এবং উন্নত সিকিউরিটির কারণে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।
  • Windows 8 ও 8.1: ২০১২ সালে রিলিজ হওয়া এই ভার্সনে স্টার্ট মেনু বাদ দিয়ে টাচ স্ক্রিন বা স্মার্টফোন ফ্রেন্ডলি টাইলস ইন্টারফেস নিয়ে আসা হয়, তবে এটি খুব একটা জনপ্রিয়তা পায়নি।
  • Windows 10: ২০১৫ সালে রিলিজ হওয়া এই ভার্সনে স্টার্ট মেনুকে নতুন রূপে ফিরিয়ে আনা হয় এবং কর্টানা ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট যুক্ত করা হয়। এটি বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত।
  • Windows 11: ২০২১ সালে রিলিজ হওয়া উইন্ডোজের সর্বশেষ ভার্সন, যেখানে ম্যাকওএস এর মতো মাঝখানে স্টার্ট বাটন আনা হয়েছে এবং অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ চালানোর সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

৫। সংখ্যা পদ্ধতি কী? ১ – ২০ পর্যন্ত ডেসিমেল সংখ্যাগুলো লেখ এবং তার সমমানের বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাগুলোর চার্ট তৈরি কর।

[What is numberring system? Write 1 to 20 Decimal number and write the chart of similar Binary, Octal and Hexa-decimal number.]

সংখ্যা পদ্ধতি (Number System):
কোনো সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন বা অঙ্কসমূহের সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে বাইনারি, অক্টাল, ডেসিমেল এবং হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

১ থেকে ২০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর রূপান্তর চার্ট:

ডেসিমেল (ভিত্তি ১০) বাইনারি (ভিত্তি ২) অক্টাল (ভিত্তি ৮) হেক্সাডেসিমেল (ভিত্তি ১৬)
1 1 1 1
2 10 2 2
3 11 3 3
4 100 4 4
5 101 5 5
6 110 6 6
7 111 7 7
8 1000 10 8
9 1001 11 9
10 1010 12 A
11 1011 13 B
12 1100 14 C
13 1101 15 D
14 1110 16 E
15 1111 17 F
16 10000 20 10
17 10001 21 11
18 10010 22 12
19 10011 23 13
20 10100 24 14

৬। নেটওয়ার্ক কী? নেটওয়ার্ক কত প্রকার ও কী কী? বিস্তারিত বর্ণনা কর।

[What is Network? How many kinds of Network? Describe elaborately.]

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক:
দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে কোনো মাধ্যম (যেমন: তার বা ওয়্যারলেস) দিয়ে এমনভাবে জুড়ে দেওয়া, যাতে তারা নিজেদের মধ্যে তথ্য, ডেটা এবং হার্ডওয়্যার রিসোর্স (যেমন প্রিন্টার) আদান-প্রদান করতে পারে, সেই ব্যবস্থাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলে।

ভৌগোলিক বিস্তৃতির ওপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ:
ভৌগোলিক দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্ককে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা যায়:

  1. PAN (Personal Area Network):
    এটি একটি ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক। কোনো একজন ব্যক্তির কাছাকাছি থাকা ডিভাইসগুলোর (যেমন ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, হেডফোন) মধ্যে ব্লুটুথ বা ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে প্যান বলে। এর পরিসর মাত্র কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
  2. LAN (Local Area Network):
    একটি নির্দিষ্ট ছোট এলাকা, যেমন- একটি বিল্ডিং, অফিস, বা স্কুল-কলেজের ল্যাবরেটরির কম্পিউটারগুলোর মধ্যে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে ল্যান বলে। ইথারনেট ক্যাবল বা ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে এই নেটওয়ার্ক তৈরি হয় এবং এর ডেটা আদান-প্রদানের গতি খুব বেশি হয়।
  3. MAN (Metropolitan Area Network):
    একটি পুরো শহর বা মহানগরীতে অবস্থিত বিভিন্ন ল্যানকে যুক্ত করে যে বড় নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে ম্যান বলে। যেমন- ক্যাবল টিভির নেটওয়ার্ক বা কোনো ব্যাংকের শহরের ভেতরের বিভিন্ন শাখার মধ্যে সংযোগ।
  4. WAN (Wide Area Network):
    যে নেটওয়ার্ক একটি দেশ, মহাদেশ অথবা পুরো বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত থাকে তাকে ওয়্যান বলে। ইন্টারনেট হলো ওয়্যান এর সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় উদাহরণ। স্যাটেলাইট বা ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মাধ্যমে এই নেটওয়ার্ক যুক্ত থাকে।

৭। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কী? অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ইনস্টলেশনের পদ্ধতি লেখ।

[What is application software? Write the application software installation procedure.]

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
যেসব সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন নির্দিষ্ট কোনো ব্যবহারিক কাজ সম্পন্ন করার জন্য তৈরি করা হয়, সেগুলোকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বলে। এই সফটওয়্যারগুলো অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে চলে। উদাহরণ: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (টাইপ করার জন্য), ভিএলসি প্লেয়ার (ভিডিও দেখার জন্য), গুগল ক্রোম (ইন্টারনেট চালানোর জন্য)।

সফটওয়্যার ইনস্টলেশনের পদ্ধতি (উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে):
কোনো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ইনস্টল করার সাধারণ ধাপগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • ধাপ ১: প্রথমে যে সফটওয়্যারটি ইনস্টল করতে হবে তার সেটআপ ফাইল বা এক্সিকিউটেবল ফাইল (.exe ফাইল) ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করতে হবে অথবা পেনড্রাইভ/সিডি থেকে কপি করে নিতে হবে।
  • ধাপ ২: এরপর সেই .exe বা Setup.exe ফাইলটির ওপর মাউস দিয়ে ডাবল ক্লিক করতে হবে। তখন উইন্ডোজ থেকে একটি সিকিউরিটি পপআপ আসতে পারে, সেখানে Yes-এ ক্লিক করতে হবে।
  • ধাপ ৩: ইনস্টলেশন উইজার্ড বা একটি নতুন উইন্ডো চালু হবে। সেখানে ‘Next’ বাটনে ক্লিক করে সামনে এগোতে হবে।
  • ধাপ ৪: সফটওয়্যারের লাইসেন্স এগ্রিমেন্ট বা শর্তাবলি আসবে। সেখানে “I Accept” বা “I Agree” লেখা বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে পুনরায় ‘Next’-এ ক্লিক করতে হবে।
  • ধাপ ৫: সফটওয়্যারটি কম্পিউটারের কোন ড্রাইভে ইনস্টল হবে তার লোকেশন (সাধারণত C: ড্রাইভ) সিলেক্ট করে ‘Install’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • ধাপ ৬: ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং একটি প্রোগ্রেস বার দেখাবে। এটি ১০০% পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
  • ধাপ ৭: ইনস্টলেশন সম্পন্ন হলে ‘Finish’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। অনেক সময় সফটওয়্যারটি অটোমেটিক চালু হয় অথবা ডেস্কটপে এর শর্টকাট আইকন তৈরি হয়, যেখান থেকে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যায়।

৮। কম্পিউটারে ‘Al-Maktabatus-Shamela’ সফটওয়্যার ব্যবহার করে কোনো হাদিস খুঁজে বের করার পদ্ধতির বিবরণ দাও।

[Describe the procedure to find out Hadith by using ‘Al-Maktabatus Shamela’ software in a computer.]

‘Al-Maktabatus-Shamela’ (আল-মাকতাবাতুশ শামেলা) এর সাহায্যে হাদিস খোঁজার পদ্ধতি:
আল-মাকতাবাতুশ শামেলা হলো ইসলামি কিতাবসমূহের একটি বিশাল ডিজিটাল লাইব্রেরি সফটওয়্যার। এর মাধ্যমে হাজার হাজার কিতাবের ভেতর থেকে যেকোনো আয়াত, হাদিস বা ফিকহি মাসআলা খুব সহজেই খুঁজে বের করা যায়। কোনো হাদিস খোঁজার পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো:

  1. সফটওয়্যার চালু করা: প্রথমে কম্পিউটারে ইনস্টল করা মাকতাবা শামেলা সফটওয়্যারটি ওপেন করতে হবে।
  2. সার্চ আইকনে ক্লিক করা: সফটওয়্যারের ওপরের মেনুবার থেকে ‘بحث’ (সার্চ) আইকনে ক্লিক করতে হবে, যা সাধারণত একটি দূরবীনের মতো আইকন দিয়ে চিহ্নিত থাকে।
  3. সার্চ বক্স ও কিতাব নির্বাচন: একটি নতুন উইন্ডো আসবে। এর ডান পাশে কিতাবের ক্যাটাগরি থাকবে। সেখান থেকে ‘كتب الحديث’ (হাদিসের কিতাবসমূহ) সিলেক্ট করতে হবে। আপনি চাইলে নির্দিষ্ট কিতাব যেমন ‘সহিহ বুখারি’ বা ‘সহিহ মুসলিম’ সিলেক্ট করে দিতে পারেন, অথবা সব হাদিস গ্রন্থে একসাথে খুঁজতে ‘اختيار جميع كتب القسم’ এ ক্লিক করতে পারেন।
  4. শব্দ টাইপ করা: এরপর ওপরের সার্চ বক্সে আপনি যে হাদিসটি খুঁজছেন তার এক বা একাধিক মূল শব্দ (আরবিতে) টাইপ করতে হবে। যেমন, ‘إنما الأعمال بالنيات’ হাদিসটি খুঁজতে চাইলে বক্সে ‘الأعمال بالنيات’ টাইপ করতে হবে।
  5. সার্চ করা: শব্দ টাইপ করা শেষে নিচে থাকা ‘تنفيذ البحث’ (সার্চ করুন) বাটনে অথবা কীবোর্ডের Enter বাটনে চাপ দিতে হবে।
  6. ফলাফল দেখা: কিছুক্ষণের মধ্যেই সফটওয়্যারটি ওই শব্দগুলো যেসব হাদিসে বা কিতাবে আছে তার একটি তালিকা তৈরি করে স্ক্রিনের নিচে দেখাবে। যেকোনো ফলাফলের ওপর ক্লিক করলে মূল কিতাবের ওই পৃষ্ঠাটি ওপেন হয়ে যাবে এবং সেখানে কাঙ্ক্ষিত হাদিসটি হাইলাইট করা অবস্থায় দেখা যাবে।

খ বিভাগ – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন [যে কোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও]

৯। (ক) এলসিডি (LCD) মনিটর এবং এলইডি (LED) মনিটরের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

[Write the differences between LCD Monitor and LED Monitor.]

এলসিডি এবং এলইডি মনিটরের মধ্যে পার্থক্য:

  • প্রযুক্তি: LCD (Liquid Crystal Display) মনিটরে ছবি ফুটিয়ে তোলার জন্য কোল্ড ক্যাথোড ফ্লুরোসেন্ট ল্যাম্প (CCFL) ব্যাকলাইট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে LED (Light Emitting Diode) মনিটরে ব্যাকলাইট হিসেবে ক্ষুদ্র এলইডি লাইট ব্যবহৃত হয়।
  • ছবির মান: এলসিডি এর তুলনায় এলইডি মনিটরে ছবির কন্ট্রাস্ট রেশিও এবং কালার কোয়ালিটি অনেক উন্নত ও স্পষ্ট হয়।
  • বিদ্যুৎ খরচ: এলসিডি মনিটর এলইডি মনিটরের চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে। এলইডি মনিটর বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
  • পুরুত্ব ও ওজন: এলইডি মনিটর এলসিডি মনিটরের তুলনায় অনেক বেশি হালকা এবং পাতলা হয়ে থাকে।

(খ) ডিজিটাল ও এনালগ কম্পিউটারের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

[Write the differences between Digital and Analog Computer.]

ডিজিটাল ও এনালগ কম্পিউটারের মধ্যে পার্থক্য:

  • ডেটার ধরন: এনালগ কম্পিউটার ক্রমাগত পরিবর্তনশীল ভৌত ডেটা (যেমন- চাপ, তাপমাত্রা, ভোল্টেজ) নিয়ে কাজ করে। অন্যদিকে ডিজিটাল কম্পিউটার শুধু ০ এবং ১ (বাইনারি সংখ্যা) এর ওপর ভিত্তি করে ডেটা প্রসেস করে।
  • নির্ভুলতা: ডিজিটাল কম্পিউটারের ফলাফল ১০০% নির্ভুল হয়। কিন্তু এনালগ কম্পিউটারের ফলাফল পুরোপুরি নির্ভুল হয় না, কিছুটা কাছাকাছি মান প্রদান করে।
  • ব্যবহার: এনালগ কম্পিউটার সাধারণত বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া দপ্তর এবং হাসপাতালে (যেমন- ইসিজি মেশিন) ব্যবহৃত হয়। ডিজিটাল কম্পিউটার সাধারণ অফিস, বাসা-বাড়ি এবং গাণিতিক কাজে ব্যবহৃত হয়।

(গ) মেমরি কী? প্রধান ও সহায়ক মেমরির মধ্যে পার্থক্য লেখ।

[What is Memory? Differences between primary and secondary memory.]

মেমরি: কম্পিউটারের যে অংশে যাবতীয় ডেটা, নির্দেশ এবং প্রসেস করা ফলাফল সাময়িক বা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে রাখা হয়, তাকে মেমরি বা স্মৃতিভাণ্ডার বলা হয়।

প্রধান ও সহায়ক মেমরির মধ্যে পার্থক্য:

  • অবস্থান ও সংযোগ: প্রধান মেমরি (যেমন- RAM, ROM) সরাসরি সিপিইউ এর সাথে যুক্ত থাকে এবং মাদারবোর্ডে অবস্থান করে। আর সহায়ক মেমরি (যেমন- হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভ) সিপিইউ এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে না।
  • ডেটা সংরক্ষণ: প্রধান মেমরি সাধারণত অস্থায়ী (ভোলাটাইল); বিদ্যুৎ চলে গেলে র্যামের ডেটা মুছে যায়। কিন্তু সহায়ক মেমরি স্থায়ী; এখানে বিদ্যুৎ চলে গেলেও ডেটা মুছে যায় না।
  • গতি ও ধারণক্ষমতা: প্রধান মেমরির কাজ করার গতি অত্যন্ত বেশি, কিন্তু ডেটা ধারণক্ষমতা কম। অপরদিকে সহায়ক মেমরির গতি অপেক্ষাকৃত কম হলেও এর ডেটা ধারণক্ষমতা অনেক বেশি।

(ঘ) সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডের মধ্যে পার্থক্য লেখ।

[Write the differences among symplex, Half-duplex and full-duplex mode.]

ডেটা ট্রান্সমিশন মোডগুলোর পার্থক্য:

  • সিমপ্লেক্স (Simplex): এই মোডে ডেটা শুধু একমুখী প্রবাহিত হয়। একজন শুধু পাঠাতে পারবে, কিন্তু গ্রহণ করতে পারবে না। যেমন- রেডিও বা টেলিভিশন ব্রডকাস্টিং।
  • হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex): এই মোডে ডেটা উভয় দিকে প্রবাহিত হতে পারে, তবে একই সময়ে নয়। একজন পাঠানো শেষ করলে অন্যজন পাঠাতে পারবে। যেমন- ওয়াকিটকি।
  • ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex): এই মোডে ডেটা উভয় দিকে একই সময়ে আদান-প্রদান করা যায়। অর্থাৎ সেন্ডার এবং রিসিভার একই সাথে কথা বলতে পারে। যেমন- মোবাইল ফোন বা টেলিফোন নেটওয়ার্ক।

(ঙ) (1001.011)₂ এবং (1010.001)₂ কে যোগ কর বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহার করে।

[Adding to (1001.011)₂ and (1010.001)₂ using Binary system.]

বাইনারি যোগের নিয়ম:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 10 (যেখানে 0 বসে এবং 1 হাতে বা Carry থাকে)

যোগের সমাধান:
   1 0 0 1 . 0 1 1
+ 1 0 1 0 . 0 0 1
——————-
  1 0 0 1 1 . 1 0 0

ব্যাখ্যা:
ডান দিক থেকে শুরু করে:
1 + 1 = 10 (বসল 0, হাতে 1)
1 + 0 + হাতের 1 = 10 (বসল 0, হাতে 1)
0 + 0 + হাতের 1 = 1 (হাতে কিছু নেই)
. (দশমিকের জায়গায় দশমিক)
1 + 0 = 1
0 + 1 = 1
0 + 0 = 0
1 + 1 = 10
সুতরাং, নির্ণেয় যোগফল = (10011.100)₂

(চ) EPROM ও EEPROM এর মধ্যে পার্থক্য লেখ।

[Write the differences between EPROM and EEPROM?]

EPROM এবং EEPROM এর মধ্যে পার্থক্য:

  • পূর্ণরূপ: EPROM এর পূর্ণরূপ হলো Erasable Programmable Read Only Memory. আর EEPROM এর পূর্ণরূপ হলো Electrically Erasable Programmable Read Only Memory.
  • ডেটা মোছার পদ্ধতি: EPROM-এ থাকা প্রোগ্রাম বা ডেটা মুছতে হলে অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolet Ray) ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু EEPROM-এ থাকা ডেটা বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব সহজেই মোছা যায়।
  • সুবিধা: EPROM এর ডেটা মোছার প্রক্রিয়াটি বেশ কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ। অপরদিকে EEPROM এর ডেটা মাদারবোর্ড থেকে না খুলেই অতি দ্রুত মুছে ফেলা যায় এবং নতুন করে প্রোগ্রাম করা যায়। পেনড্রাইভ বা এসএসডি (SSD) তে এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

(ছ) টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম বলতে কী বুঝ? সংক্ষেপে লেখ।

[What do you mean by time sharring operating system? Write briefly.]

টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম (Time Sharing OS):
টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে একটিমাত্র কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের (যেমন মেইনফ্রেম বা সার্ভার) প্রসেসিং ক্ষমতাকে একাধিক ব্যবহারকারী একই সাথে তাদের নিজস্ব টার্মিনালের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে।

এই পদ্ধতিতে অপারেটিং সিস্টেম সিপিইউ এর মোট সময়কে অতি ক্ষুদ্র অংশে (টাইম স্লাইস বা কোয়ান্টাম) ভাগ করে প্রতিটি ব্যবহারকারীকে পর্যায়ক্রমে প্রদান করে। সিপিইউ এর কাজ করার গতি এত বেশি যে, প্রতিটি ব্যবহারকারী মনে করে পুরো কম্পিউটারটি শুধু তারই কাজ করছে। এর ফলে সিস্টেম রিসোর্সের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

(জ) মাইক্রোসফট এক্সেল কী? এর বৈশিষ্ট্য লেখ।

[What is Microsoft Excel? Write its properties.]

মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel):
মাইক্রোসফট এক্সেল হলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরি একটি স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা মাইক্রোসফট অফিস প্যাকেজের অংশ। সারি (Row) এবং কলাম (Column) সমন্বয়ে গঠিত এই সফটওয়্যারটি ডেটা এনালাইসিস, গাণিতিক হিসাব-নিকাশ এবং হিসাব সংরক্ষণের জন্য বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • সহজ হিসাব-নিকাশ: এতে ইনবিল্ট ফর্মুলা এবং ফাংশন (যেমন: SUM, AVERAGE, COUNT) ব্যবহার করে খুব দ্রুত ও নির্ভুলভাবে গাণিতিক ও পরিসংখ্যানগত হিসাব করা যায়।
  • চার্ট ও গ্রাফ তৈরি: ডেটাকে সহজে বিশ্লেষণ করে উপস্থাপন করার জন্য এতে বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণীয় চার্ট (যেমন- পাই চার্ট, কলাম চার্ট, লাইন গ্রাফ) তৈরি করা যায়।
  • ডেটা সর্টিং ও ফিল্টারিং: বিশাল ডেটাবেস থেকে খুব সহজেই নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী ডেটা খুঁজে বের করা (ফিল্টার) বা ছোট থেকে বড় ক্রমানুসারে সাজানো (সর্টিং) যায়।
  • অটো ক্যালকুলেশন: কোনো একটি সেলের ডেটা পরিবর্তন করলে, তার সাথে সম্পর্কযুক্ত অন্যান্য সেলের ফলাফল স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হয়ে যায়।
Follow Our Facebook Page
দ্রুত নতুন বই পেতে যুক্ত থাকুন
Follow Now