কামিল মাস্টার্স পরীক্ষা ২০২৩: দিরাসাত আত-তাফসীর-১ (৫০১১০১) প্রশ্ন ও সমাধান – Kamil Masters 2023 Dirasat At-Tafsir-1 (501101) Question & Answer

Join Our Telegram Channel
দ্রুত নতুন বই পেতে যুক্ত থাকুন
Join Now
admin
কামিল মাস্টার্স পরীক্ষা ২০২৩: দিরাসাত আত-তাফসীর-১ (৫০১১০১) প্রশ্ন ও সমাধান – Kamil Masters 2023 Dirasat At-Tafsir-1 (501101) Question & Answer
Join Our WhatsApp Channel
দ্রুত নতুন বই পেতে যুক্ত থাকুন
Join Now
📋 সূচিপত্র (Table of Contents)

اختبار الكامل الماجستير (مدة سنة واحدة) ، لعام ٢٠٢٣
[কামিল মাস্টার্স (১ বছর মেয়াদি) পরীক্ষা, ২০২৩]
القرآن والدراسات الإسلامية
[আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ]
دراسة التفسير-1
[দিরাসাত আত-তাফসীর-১]
বিষয় কোড: ৫ ০ ১ ১ ০ ১
الوقت—٤ ساعات [সময়—৪ ঘণ্টা]
الدرجة الكاملة—١٠٠ [পূর্ণমান—১০০]
[الملاحظة: الأعداد بالهامش تدل على الدرجة الكاملة]

مجموعة (أ)—تفسير ابن كثير
[ক বিভাগ: তাফসীরে ইবনে কাসীর]

(ترجم اثنتين من القطعات التالية ثم أجب عن الأسئلة الملحقة بهما)
[(নিচের যে কোনো দুটি অনুচ্ছেদের অনুবাদ কর এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও)]

الدرجة— ٢٠×٢ = ٤٠ [মান— ২x২০ = ৪০]

١- يوصيكم الله في أولادكم للذكر مثل حظ الأنثيين، فإن كن نساءً فوق إثنتين فلهن ثلثا ما ترك، وإن كانت واحدة فلها النصف، ولأبويه لكل واحد منهما السدس مما ترك إن كان له ولد، فإن لم يكن له ولد وورثه أبواه فلأمه الثلث، فإن كان له اخوة فلأمه السدس من بعد وصية يوصى بها أو دين، ابائكم وأبنائكم لا تدرون أيهم أقرب لكم نفعا، فريضة من الله، إن الله كان عليما حكيما-
(أ) ما علم الفرائض؟ بين أهميته-
[(ক) ইলমুল ফারায়িজ কী? এর গুরুত্ব বর্ণনা কর।]
উত্তর: ইলমুল ফারায়িজ হলো ইসলামী শরীয়তের সেই জ্ঞান, যার মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পত্তি তার ওয়ারিশদের মাঝে আল্লাহ নির্ধারিত নিয়মে বণ্টন করা হয়। এর গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ আল্লাহ তায়ালা সরাসরি কুরআনে এই বিধান দিয়েছেন এবং একে ‘ফারিদ্বাতাম মিনাল্লাহ’ (আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত) বলে আখ্যায়িত করেছেন।
(ب) أذكر سبب نزول هذه الآية الكريمة-
[(খ) এ পবিত্র আয়াতের শানে নুযূল উল্লেখ কর।]
উত্তর: হযরত জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রা.) অসুস্থ হয়ে পড়লে রাসূলুল্লাহ (সা.) ও হযরত আবু বকর (রা.) তাকে দেখতে যান। তখন জাবির (রা.) তাঁর সম্পদ কীভাবে বণ্টন করা হবে সে বিষয়ে জানতে চাইলে উক্ত মীরাস সংক্রান্ত আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।
(ج) ما الوصية؟ بين شروطها وحكمها-
[(গ) অসিয়ত কী? এর শর্ত ও বিধান বর্ণনা কর।]
উত্তর: অসিয়ত হলো মৃত্যুর পর নিজ সম্পদের কোনো নির্দিষ্ট অংশ কাউকে দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা। শর্ত: অসিয়ত মোট সম্পদের এক-তৃতীয়াংশের (১/৩) বেশি করা জায়েজ নেই এবং ওয়ারিশদের জন্য অসিয়ত করা যাবে না। বিধান: ঋণ পরিশোধের পর অসিয়ত পালন করা ইসলামে শরীয়তসম্মত এবং তা ওয়ারিশদের সম্পদ বণ্টনের পূর্বেই পূর্ণ করতে হয়।


٢- يا أيها الذين آمنوا لا تأكلوا أموالكم بينكم بالباطل إلا أن تكون تجارة عن تراض منكم، ولا تقتلوا أنفسكم، إن الله كان بكم رحيما- ومن يفعل ذلك عدوانا وظلما فسوف نصليه نارا، وكان ذلك على الله يسيرا- إن تجتنبوا كبائر ما تنهون عنه نكفر عنكم سيئاتكم وندخلكم مدخلا كريما-
(أ) اكتب حكم كسب الحلال على ضوء القرآن والسنة-
[(ক) কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে হালাল উপার্জনের বিধান লেখ।]
উত্তর: কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে হালাল উপার্জন করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ফরজ। রাসূল (সা.) বলেছেন, “ফরজ ইবাদতসমূহের পর হালাল উপার্জন করা আরেকটি ফরজ।” হালাল উপার্জন ছাড়া ইবাদত ও দোয়া কবুল হয় না।
(ب) كم قسما للقتل؟ بين مع بيان حكمه-
[(খ) হত্যা কত প্রকার? এর বিধানসহ বর্ণনা কর।]
উত্তর: ইসলামী ফিকহে হত্যা প্রধানত তিন প্রকার: ১. ক্বাতলে আমদ (ইচ্ছাকৃত হত্যা) – এর শাস্তি কেসাস বা মৃত্যুদণ্ড। ২. শিবহে আমদ (ইচ্ছাকৃতের অনুরূপ) – এতে কাফফারা ও দিয়াত (রক্তপণ) ওয়াজিব হয়। ৩. ক্বাতলে খাতা (ভুলবশত হত্যা) – এর বিধান হলো দিয়াত ও কাফফারা আদায় করা।
(ج) ما الكبائر؟ بين حكم ارتكاب الكبائر مفصلا-
[(গ) কাবীরা গুনাহ কী? কাবীরা গুনাহে লিপ্ত হওয়ার বিধান বিস্তারিত বর্ণনা কর।]
উত্তর: যেসব গুনাহের ব্যাপারে কুরআনে বা হাদিসে জাহান্নামের কঠিন শাস্তির ধমকি, আল্লাহর ক্রোধ বা অভিশাপের কথা বলা হয়েছে, সেগুলো কাবীরা গুনাহ (যেমন: শিরক, হত্যা, ব্যভিচার ইত্যাদি)। কাবীরা গুনাহে লিপ্ত ব্যক্তি ফাসেক হয়ে যায় এবং খাঁটি তওবা (তওবাতুন নাসুহা) ছাড়া তা ক্ষমা হয় না। তবে আল্লাহ চাইলে তওবা ছাড়াও নিজ অনুগ্রহে ক্ষমা করতে পারেন।


٣- الرجال قوامون على النساء بما فضل الله بعضهم على بعض وبما أنفقوا من أموالهم، فالصالحات قانتات حافظات للغيب بما حفظ الله، واللاتي تخافون نشوزهن فعظوهن واهجروهن في المضاجع واضربوهن، فإن أطعنكم فلا تبغوا عليهن سبيلا، إن الله كان عليا كبيرا-
(أ) اكتب سبب نزول هذه الآية الكريمة-
[(ক) এ পবিত্র আয়াতের শানে নুযূল লেখ।]
উত্তর: সাহাবী সাদ ইবনে রাবি (রা.) ও তাঁর স্ত্রীর মাঝে মনোমালিন্য দেখা দিলে স্ত্রী অবাধ্য আচরণ করেন। এতে সাদ (রা.) তাকে প্রহার করেন। স্ত্রীর পিতা রাসূল (সা.) এর কাছে অভিযোগ করলে প্রথমে কেসাসের নির্দেশ দেওয়া হয়, কিন্তু পরক্ষণেই এই আয়াত অবতীর্ণ হয় যেখানে পুরুষকে পরিবারের কর্তা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
(ب) ما الحكمة من قوامة الرجل على المرأة؟
[(খ) নারীর ওপর পুরুষের কর্তৃত্বের হিকমত কী?]
উত্তর: হিকমত হলো, আল্লাহ তায়ালা শারীরিক ও মানসিকভাবে পুরুষকে অধিক সক্ষমতা দিয়েছেন এবং পরিবারের অর্থনৈতিক ব্যয়ভার ও মোহরানা আদায়ের দায়িত্ব পুরুষের ওপর ন্যস্ত করেছেন। এই দায়িত্বশীলতার কারণেই পুরুষকে ‘কাওয়াম’ বা রক্ষক/কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে।
(ج) ما حكم تولى المرأة للمناصب القيادية في الإسلام؟
[(গ) ইসলামে নারীর নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত হওয়ার বিধান কী?]
উত্তর: ইসলামে নারীর সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব বা রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ার বিষয়ে অধিকাংশ ওলামায়ে কেরামের মতে এটি বৈধ নয়, কারণ এতে কঠোর শারীরিক ও মানসিক চাপ এবং জনসমক্ষে সর্বদা উপস্থিতির বিষয় জড়িত। তবে শর্তসাপেক্ষে শিক্ষা, চিকিৎসা এবং নির্দিষ্ট প্রশাসনিক দায়িত্বে নারীর অধিষ্ঠিত হতে ইসলামী শরীয়তে কোনো বাধা নেই।


٤- أجب عن واحد مما يلي:
[(নিচের যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও:)]
الدرجة— ١٠×١ = ١٠ [মান— ১x১০ = ১০]
(أ) اكتب نبذة من حياة الإمام ابن كثير مع بيان مساهمته في التفسير-
[(ক) তাফসীরে অবদান বর্ণনাসহ ইমাম ইবনে কাসীরের সংক্ষিপ্ত জীবনী লেখ।]
উত্তর: ইমাম ইবনে কাসীর (রহ.)-এর পুরো নাম ইসমাঈল ইবনে উমর ইবনে কাসীর। তিনি অষ্টম শতাব্দীর একজন শ্রেষ্ঠ মুফাসসির, মুহাদ্দিস ও ঐতিহাসিক ছিলেন। তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান হলো ‘তাফসীরুল কুরআনিল আযীম’ যা ‘তাফসীরে ইবনে কাসীর’ নামে পরিচিত। এটি তাফসীর বিল মাথুর ধারার অন্যতম নির্ভরযোগ্য ও প্রামাণ্য গ্রন্থ।
(ب) اكتب خصائص تفسير ابن كثير مفصلا-
[(খ) তাফসীরে ইবনে কাসীরের বৈশিষ্ট্যসমূহ বিস্তারিত লেখ।]
উত্তর: তাফসীরে ইবনে কাসীরের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি কুরআন দিয়ে কুরআনের তাফসীর, হাদিস দিয়ে তাফসীর এবং সাহাবা ও তাবেয়ীনদের উক্তি দ্বারা তাফসীর করা হয়েছে। এতে সহীহ হাদিস ও দুর্বল হাদিসের পার্থক্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং ইসরাইলী বর্ণনা থেকে গ্রন্থটিকে সর্বোচ্চ মুক্ত রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

مجموعة (ب)—معالم التنزيل
[খ বিভাগ: মা’আলিমুত তানযীল]

(ترجم اثنتين من القطعات التالية، وأجب عن الأسئلة الملحقة بهما)
[(নিচের যে কোনো দুটি অনুচ্ছেদের অনুবাদ কর এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও)]

الدرجة— ٢٠×٢ = ٤٠ [মান— ২x২০ = ৪০]

٥- يا أيها الذين آمنوا إذا قمتم الى الصلاة فاغسلوا وجوهكم وأيديكم الى المرافق وامسحوا برءوسكم وأرجلكم الى الكعبين، وإن كنتم جنبا فاطهروا، وإن كنتم مرضى أو على سفر أو جاء أحد منكم من الغائط أو لامستم النساء فلم تجدوا ماء فتيمموا صعيدا طيبا فامسحوا بوجوهكم وأيديكم منه، ما يريد الله ليجعل عليكم من حرج ولكن يريد ليطهركم وليتم نعمته عليكم لعلكم تشكرون-
(أ) هل يجب الوضوء عند كل صلاة؟
[(ক) প্রত্যেক নামাজের সময় কি অজু করা ফরজ?]
উত্তর: না, প্রত্যেক নামাজের জন্য নতুন করে অজু করা ফরজ নয়। যার ওজু রয়েছে, তার জন্য নতুন ওজু করা মোস্তাহাব। ওজু ভঙ্গ না হওয়া পর্যন্ত এক ওজু দিয়েই একাধিক ওয়াক্তের নামাজ পড়া জায়েজ।
(ب) اكتب مقدار وجوب مسح الرأس عند الأئمة-
[(খ) ইমামদের মতে মাথা মাসেহ করার ফরজ পরিমাণ লেখ।]
উত্তর: মাথা মাসেহ করার পরিমাণ নিয়ে ইমামদের মতভেদ রয়েছে: ইমাম আবু হানিফা (রহ.) এর মতে মাথার এক-চতুর্থাংশ (চার ভাগের এক ভাগ) মাসেহ করা ফরজ। ইমাম শাফেয়ী (রহ.) এর মতে মাথার সামান্য অংশ মাসেহ করলেই ফরজ আদায় হয়ে যাবে। আর ইমাম মালেক ও ইমাম আহমদ (রহ.) এর মতে পুরো মাথা মাসেহ করা ফরজ।
(ج) ما المدة التي يشرع قصر الصلاة فيها؟
[(গ) কত দিনের সফরে নামাজ কসর করা শরীয়তসম্মত?]
উত্তর: হানাফী মাজহাব অনুযায়ী, কোনো মুসাফির ব্যক্তি যদি ১৫ দিনের কম সময় কোনো স্থানে অবস্থান করার নিয়ত করে, তবে সে নামাজ কসর (চার রাকাত বিশিষ্ট নামাজ দুই রাকাত) পড়বে। ১৫ দিন বা তার বেশি থাকার নিয়ত করলে পূর্ণ নামাজ পড়তে হবে।


٦- من أجل ذلك كتبنا على بني إسرائيل أنه من قتل نفسا بغير نفس أو فساد في الأرض فكأنما قتل الناس جميعا، ومن أحياها فكأنما أحيا الناس جميعا، ولقد جاءتهم رسلنا بالبينات ثم إن كثيرا منهم بعد ذلك في الأرض لمسرفون- إنما جزاء الذين يحاربون الله ورسوله ويسعون في الأرض فسادا أن يقتلوا أو يصلبوا أو تقطع أيديهم وأرجلهم من خلاف أو ينفوا من الأرض، ذلك لهم خزي في الدنيا ولهم في الآخرة عذاب عظيم-
(أ) اكتب اختلاف العلماء في تأويل الآية الكريمة “فكأنما قتل الناس جميعا”-
[(ক) ‘فكأنما قتل الناس جميعا’- এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ওলামায়ে কেরামের মতবিরোধ লেখ।]
উত্তর: এ আয়াতের ব্যাখ্যায় মুফাসসিরদের দুটি প্রধান মত রয়েছে: একদল বলেছেন, একজন নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা পুরো মানবজাতিকে হত্যার মতো জঘন্য পাপ, কারণ এতে জীবনের পবিত্রতা নষ্ট হয়। অন্যদলের মতে, এর অর্থ হলো একজন হত্যার কারণে যেমন কেসাস (মৃত্যুদণ্ড) অনিবার্য হয়, তেমনি পুরো পৃথিবীর মানুষকে হত্যা করলেও একই কেসাস অনিবার্য হয়।
(ب) بين الواقعة التي تتعلق بالآية الأولى-
[(খ) প্রথম আয়াতের সাথে সংশ্লিষ্ট ঘটনাটি বর্ণনা কর।]
উত্তর: প্রথম আয়াতটি আদম (আ.)-এর দুই পুত্র হাবিল ও কাবিলের ঘটনার সাথে সম্পর্কিত। কাবিল ঈর্ষান্বিত হয়ে তার ভাই হাবিলকে অন্যায়ভাবে হত্যা করে, যা ছিল পৃথিবীর বুকে প্রথম হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই আল্লাহ তায়ালা হত্যার ভয়াবহতা বর্ণনা করেছেন।
(ج) اكتب عقوبة المحاربين المذكورين في الآية مفصلا-
[(গ) আয়াতে উল্লেখিত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সাথে যুদ্ধে লিপ্তদের শাস্তি বিস্তারিত লেখ।]
উত্তর: আয়াতে ‘মুহারিব’ বা রাষ্ট্রদ্রোহী/সন্ত্রাসীদের জন্য ৪টি শাস্তির কথা বলা হয়েছে: ১. হত্যা করা। ২. শূলে চড়ানো। ৩. বিপরীত দিক থেকে হাত ও পা কেটে ফেলা (যেমন: ডান হাত ও বাম পা)। ৪. দেশান্তরিত করা বা বন্দী করা। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী ইসলামী বিচারক এই শাস্তিগুলো কার্যকর করবেন।


٧- والسارق والسارقة فاقطعوا أيديهما جزاء بما كسبا نكالا من الله، والله عزيز حكيم – فمن تاب من بعد ظلمه وأصلح فإن الله يتوب عليه، إن الله غفور رحيم- ألم تعلم أن الله له ملك السموات والأرض، يعذب من يشاء ويغفر لمن يشاء، والله على كل شيء قدير-
(أ) اكتب شروط قطع اليد للسارق مفصلا-
[(ক) চোরের হাত কাটার শর্তসমূহ বিস্তারিত লেখ।]
উত্তর: চোরের হাত কাটার প্রধান শর্তগুলো হলো: ১. চোর প্রাপ্তবয়স্ক ও বুদ্ধিমান হওয়া। ২. চুরি করা মালের পরিমাণ ‘নেসাব’ (১০ দিরহাম বা সমমূল্যের) পৌঁছানো। ৩. সুরক্ষিত স্থান (হিরয) থেকে মাল চুরি করা। ৪. চুরির মালটি বৈধ সম্পদ হওয়া এবং তাতে চোরের কোনো মালিকানা বা অধিকার না থাকা।
(ب) ما معنى التوبة؟ بين شروطها وأهميتها مدللا-
[(খ) তাওবা এর অর্থ কী? প্রমাণসহ এর শর্ত ও গুরুত্ব বর্ণনা কর।]
উত্তর: তওবা অর্থ ফিরে আসা বা গুনাহ থেকে প্রত্যাবর্তন করা। এর ৩টি শর্ত: ১. অবিলম্বে গুনাহটি ছেড়ে দেওয়া, ২. কৃতকর্মের জন্য অন্তরে অনুতপ্ত হওয়া, ৩. ভবিষ্যতে ওই গুনাহ না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করা। (আর বান্দার হক নষ্ট করলে তা ফেরত দেওয়া)। এর গুরুত্ব হলো, আল্লাহ তওবাকারীকে ভালোবাসেন এবং তার অতীত গুনাহ মাফ করে দেন।
(ج) ما حكم الغرامة للسارق الذي قطعت يده؟
[(গ) যে চোরের হাত কাটা হয়েছে, তার থেকে জরিমানা আদায়ের বিধান কী?]
উত্তর: হানাফী মাজহাব মতে, একবার হাত কাটার শাস্তি কার্যকর হয়ে গেলে তার ওপর আর জরিমানা বা মালের ক্ষতিপূরণ দেওয়া ওয়াজিব থাকে না, কারণ একই অপরাধে দুটি শাস্তি (দৈহিক ও আর্থিক) একত্র করা হয় না। তবে চুরি করা মূল বস্তুটি যদি অবিকল বিদ্যমান থাকে, তবে তা মালিককে ফেরত দিতে হবে।


٨- أجب عن واحد مما يلي:
[(নিচের যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও:)]
الدرجة— ١٠×١ = ١٠ [মান— ১x১০ = ১০]
(أ) اكتب نبذة من حياة الإمام البغوي وخدماته في علم التفسير-
[(ক) ইলমে তাফসীরে অবদানসহ ইমাম বাগভীর সংক্ষিপ্ত জীবনী লেখ।]
উত্তর: ইমাম বাগভী (রহ.) পঞ্চম শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত মুফাসসির, মুহাদ্দিস ও ফকীহ ছিলেন। তাঁর পুরো নাম হুসাইন ইবনে মাসউদ আল-বাগভী। তিনি ‘মুহিউস সুন্নাহ’ উপাধিতে ভূষিত হন। তাফসীর শাস্ত্রে তাঁর শ্রেষ্ঠ অবদান হলো ‘মাআলিমুত তানযীল’, যা একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও বিশুদ্ধ তাফসীর গ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত।
(ب) تحدث عن تفسير “معالم التنزيل” مع بيان منزلته بين كتب التفسير مفصلا-
[(খ) তাফসীর গ্রন্থসমূহের মধ্যে এর অবস্থান বর্ণনাসহ “মা’আলিমুত তানযীল” তাফসীর সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা কর।]
উত্তর: ‘মাআলিমুত তানযীল’ হলো একটি তাফসীর বিল মাথুর বা বর্ণনাভিত্তিক তাফসীর গ্রন্থ। তাফসীর গ্রন্থসমূহের মধ্যে এর অবস্থান অত্যন্ত সুউচ্চ, কারণ এতে বিশুদ্ধ হাদিস ও সাহাবায়ে কেরামের আসার সনদসহ উল্লেখ করা হয়েছে। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) এই তাফসীরকে বেদআত ও ইসরাইলী রেওয়ায়েত থেকে সবচেয়ে বেশি মুক্ত বলে প্রশংসা করেছেন।
Follow Our Facebook Page
দ্রুত নতুন বই পেতে যুক্ত থাকুন
Follow Now