পরীক্ষা কোড: ৫০১ | প্রশ্নপত্র কোড: ৯০১
اختبار الكامل الماجستير (مدة سنة واحدة)، لعام ۲۰۲۲
[কামিল মাস্টার্স (এক বছর মেয়াদি) পরীক্ষা, ২০২২]
القرآن والدراسات الإسلامية
[আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ]
دراسة التفسير-١
[দিরাসাত আত-তাফসীর-১]
الوقت-٤ ساعات [সময়—৪ ঘণ্টা]
الدرجة الكاملة-١٠٠ [পূর্ণমান—১০০]
الملاحظة : الأعداد بالهامش تدل على الدرجة الكاملة- [বি.দ্র.: পাশের সংখ্যা পূর্ণমান নির্দেশক]
مجموعة (أ) – تفسير ابن كثير
(ترجم اثنين من القطعات التالية وأجب عن الأسئلة الملحقة بهما)
الدرجة- ٢٠×٢=٤٠
١- وآتوا اليتامى أموالهم ولا تتبدلوا الخبيث بالطيب ولا تأكلوا أموالهم إلى أموالكم، إنه كان حوبا كبيرا- وإن خفتم ألا تقسطوا في اليتامى فانكحوا ما طاب لكم من النساء مثنى وثلاث ورباع، فان خفتم ألا تعدلوا فواحدة أو ما ملكت أيمانكم، ذلك أدنى ألا تعولوا- وآتوا النساء صدقاتهن نحلة، فإن طبن لكم عن شيء منه نفسا فكلوه هنيئا مريئا-
(أ) فسر قوله تعالى: “ولا تتبدلوا الخبيث بالطيب” في ضوء تفسير ابن كثير- (٥)
(ب) ما هو مقدار المهر؟ بين بالاختلاف- (٥)
(ج) بين اهمية أداء المهر في ضوء الإسلام- (٥)
(أ) ‘ولا تتبدلوا الخبيث بالطيب’ এর তাফসির: ইবনে কাসির (রহ.)-এর মতে এর অর্থ হলো, এতিমদের উৎকৃষ্ট ও হালাল মালের বদলে নিজেদের নিকৃষ্ট ও হারাম মাল বদল করো না। জাহেলি যুগে অভিভাবকরা এতিমের ভালো ছাগল বা উটটি নিয়ে নিজের রুগ্ন বা দুর্বলটি রেখে দিত। আল্লাহ এই জঘন্য অপকর্মটি কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন।
(ب) মোহরের পরিমাণ: হানাফি মাজহাব মতে মোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণ ১০ দিরহাম (প্রায় ৩০.৬১৮ গ্রাম রূপা)। মালেকি মাজহাব মতে ৩ দিরহাম। অন্যদিকে শাফেয়ি ও হাম্বলি মাজহাব মতে মোহরের কোনো সুনির্দিষ্ট সর্বনিম্ন পরিমাণ নেই, বরং যার আর্থিক মূল্য আছে এমন যেকোনো বস্তুই মোহর হিসেবে ধার্য হতে পারে।
(ج) মোহর আদায়ের গুরুত্ব: ইসলামে মোহর প্রদান নারীর প্রতি সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক। এটি কোনো মূল্য নয়, বরং বাধ্যতামূলক উপহার বা অধিকার (نحلة)। মোহর নারীর অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং বৈবাহিক সম্পর্কের প্রতি স্বামীর আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার প্রমাণ বহন করে।
٢- إنما التوبة على الله للذين يعملون السوء بجهالة ثم يتوبون من قريب فأولئك يتوب الله عليهم، وكان الله عليما حكيما- وليست التوبة للذين يعملون السيئات حتى إذا حضر أحدهم الموت قال إنى تبت الآن ولا للذين يموتون وهم كفار، اولئك اعتدنا لهم عذابا أليما-
(أ) عرف التوبة ثم اذكر شروطها بالاختصار- (٥)
(ب) فسر قوله تعالى : “يعملون السوء بجهالة” على ضوء تفسير ابن كثير- (٥)
(ج) اكتب مقالة على اهمية التوبة وفضلها في الشريعة الإسلامية- (٥)
(أ) তাওবার পরিচয় ও শর্ত: তাওবা শব্দের আভিধানিক অর্থ প্রত্যাবর্তন বা ফিরে আসা। শরিয়তের পরিভাষায়, গুনাহ থেকে আল্লাহর আনুগত্যের দিকে ফিরে আসাকে তাওবা বলে। এর তিনটি মূল শর্ত: ১. গুনাহর কাজ তৎক্ষণাৎ ছেড়ে দেওয়া, ২. কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হওয়া (নাদামাত), ৩. ভবিষ্যতে আর সে গুনাহ না করার দৃঢ় সংকল্প করা। আর যদি বান্দার হক নষ্ট হয়, তবে তা ফেরত দেওয়া বা ক্ষমা চেয়ে নেওয়া হলো চতুর্থ শর্ত।
(ب) ‘يعملون السوء بجهالة’ এর তাফসির: হাফিজ ইবনে কাসির (রহ.) বলেন, সাহাবায়ে কেরামের মতে যে ব্যক্তি আল্লাহর অবাধ্য হলো, সে-ই অজ্ঞ (জাহিল)। অর্থাৎ পাপাচার করার সময় আল্লাহর শাস্তির কথা ভুলে যাওয়া বা কুপ্রবৃত্তির বশবর্তী হয়ে সাময়িকভাবে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে অপরাধ করাই হলো ‘জিহালাত’, যদিও সে ব্যক্তি বিষয়টি পাপ বলে জানে।
(ج) তাওবার গুরুত্ব ও ফজিলত: তাওবা মানুষের অন্তরকে পাপের কালিমা থেকে মুক্ত করে ও আত্মাকে প্রশান্তি দেয়। আল্লাহ তাওবাকারীকে ভালোবাসেন (إن الله يحب التوابين)। বিশুদ্ধ তাওবার (তাওবাতুন নাসুহা) মাধ্যমে অতীত গুনাহ নেকিতে পরিণত হতে পারে। এটি দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতার চাবিকাঠি এবং আল্লাহর রহমত লাভের অন্যতম মাধ্যম।
٣- يريد الله ليبين لكم ويهديكم سنن الذين من قبلكم ويتوب عليكم، والله عليم حكيما- والله يريد أن يتوب عليكم ويريد الذين يتبعون الشهوات أن تميلوا ميلا عظيما، يريد الله أن يخفف عنكم، وخلق الإنسان ضعيفا-
(أ) فسر قوله تعالى : “ويريد الذين يتبعون الشهوات أن تميلوا ميلا عظيما”- (٥)
(ب) ما المراد بالتخفيف في قوله تعالى: “يريد الله أن يخفف عنكم”؟ (٥)
(ج) ما المراد بقوله تعالى: “وخلق الإنسان ضعيفا”؟ بين- (٥)
(أ) ব্যাখ্যা: যারা কুপ্রবৃত্তি ও কামনার দাস (যেমন ব্যভিচারী বা পাপাচারী সম্প্রদায়), তারা চায় মুমিনরাও যেন সত্য ও পবিত্রতার পথ থেকে মারাত্মকভাবে বিচ্যুত হয়ে তাদের মতো পাপাচারী হয়ে যায়। যাতে সমাজে পাপকাজ স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং তারা পাপে একা না থাকে।
(ب) تخفيف (সহজ করা) এর অর্থ: পূর্ববর্তী উম্মতদের (যেমন বনী ইসরাঈল) শরিয়তে অনেক কঠিন হুকুম ছিল। ইসলামি শরিয়তে আল্লাহ সেসব বিধান সহজ করেছেন। যেমন— সামর্থ্য না থাকলে স্বাধীন নারীর বদলে দাসী বিয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তায়াম্মুমের বিধান দেওয়া হয়েছে ইত্যাদি।
(ج) ‘মানুষ দুর্বলরূপে সৃষ্ট’ এর অর্থ: মানুষ স্বভাবগতভাবেই কামভাব ও প্রবৃত্তির তাড়নার কাছে দুর্বল। বিশেষ করে নারীদের আকর্ষণ ও প্রলোভনের ক্ষেত্রে সে সহজেই কাবু হয়ে যায়। তাই আল্লাহ মানুষের এই দুর্বলতার দিকে তাকিয়ে শরিয়তের বিধানে ছাড় দিয়েছেন, যাতে তারা ব্যভিচারের মতো জঘন্য পাপে লিপ্ত না হয়।
٤- أجب عن واحد مما يلى : (الدرجة= ١٠×١)
(أ) اذكر نبذة من حياة الإمام ابن كثير مع بيان خدماته في علم التفسير-
(ب) اكتب مزايا تفسير القرآن العظيم لابن كثير مع بيان منزلته بين كتب التفاسير-
ইমাম ইবনে কাসির ও তাঁর তাফসির: তাঁর পূর্ণ নাম ইমাদুদ্দীন আবুল ফিদা ইসমাইল ইবনে উমর ইবনে কাসির (মৃত্যু: ৭৭৪ হি.)। তাঁর রচিত ‘তাফসিরুল কুরআনিল আজিম’ বা সংক্ষেপে ‘তাফসিরে ইবনে কাসির’ ইসলামি জগতে সর্বশ্রেষ্ঠ “তাফসীর বিল মা’সুর” (উৎস-ভিত্তিক বা রিওয়াত ভিত্তিক তাফসির) হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
বৈশিষ্ট্য: এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো— এখানে প্রথমে কুরআনের আয়াত দিয়ে কুরআনের তাফসির করা হয়েছে, এরপর বিশুদ্ধ হাদিস আনা হয়েছে, তারপর সাহাবা ও তাবিঈদের নির্ভরযোগ্য উক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ইসরায়েলি রেওয়াত থেকে এটি বহুলাংশে মুক্ত।
مجموعة (ب) – معالم التنزيل
(ترجم اثنين من القطعات التالية وأجب عن الأسئلة الملحقة بهما)
الدرجة= ٢٠×٢=٤٠
٥- يا ايها الذين آمنوا أوفوا بالعقود، أحلت لكم بهيمة الأنعام إلا ما يتلى عليكم غير محلى الصيد وأنتم حرم، إن الله يحكم ما يريد- يا ايها الذين آمنوا لا تحلوا شعائر الله ولا الشهر الحرام ولا الهدى ولا القلائد ولا آمين البيت الحرام يبتغون فضلا من ربهم ورضوانا- وإذا حللتم فاصطادوا، ولا يجرمنكم شنآن قوم أن صدوكم عن المسجد الحرام أن تعتدوا، وتعاونوا على البر والتقوى ولا تعاونوا على الإثم والعدوان، واتقوا الله، إن الله شديد العقاب-
(أ) عرف العقود مع بيان حكم الإيفاء بها- (٥)
(ب) ما هى المحرمات من البهائم؟ بين- (٥)
(ج) فسر قوله تعالى : “ولا تعاونوا على الإثم والعدوان”- (٥)
(أ) عقود (চুক্তি) এর পরিচয়: আভিধানিক অর্থ গিট দেওয়া বা শক্ত করা। পরিভাষায়: আল্লাহ ও বান্দার মাঝে (যেমন হালাল-হারাম মেনে চলা) অথবা মানুষে-মানুষে শরয়ি যেসব অঙ্গীকার, চুক্তি বা লেনদেন (যেমন—বিবাহ, ব্যবসা, অংশীদারিত্ব) হয়, তাকে উকুদ বলে। হুকুম: শরীয়তসম্মত সকল চুক্তি বা অঙ্গীকার পূর্ণ করা ফরজ (ওয়াজিব)।
(ب) পশুর মধ্যে হারামগুলো হলো: মৃত প্রাণী (মায়তাহ), প্রবহমান রক্ত, শুকরের মাংস, যা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে জবেহ করা হয়েছে, শ্বাসরোধ করে হত্যা করা প্রাণী, এবং হিংস্র প্রাণীর খাওয়া উচ্ছিষ্টাংশ।
(ج) ‘ولا تعاونوا على الإثم والعدوان’ এর তাফসির: এর অর্থ হলো—পাপ কাজ (الإثم) এবং সীমালঙ্ঘন বা জুলুম (العدوان) এর কাজে তোমরা পরস্পর একে অন্যকে সাহায্য করো না। এটি ইসলামের একটি মূলনীতি, যার মাধ্যমে সমাজকে সকল প্রকার অন্যায় ও অপরাধমূলক কাজের সহযোগিতা থেকে বিরত রাখা হয়েছে।
٦- ياأهل الكتاب قد جاءكم رسولنا يبين لكم كثيرا مما كنتم تخفون من الكتاب ويعفوا عن كثير- قد جاءكم من الله نور وكتاب مبين، يهدى به الله من اتبع رضوانه سبل السلام ويخرجهم من الظلمات إلى النور باذنه ويهديهم إلى صراط مستقيم- لقد كفر الذين قالوا إن الله هو المسيح ابن مريم- قل فمن يملك من الله شيئا إن اراد أن يهلك المسيح ابن مريم وأمه ومن فى الارض جميعا-
(أ) من هم أهل الكتاب؟ وما يخفون من كتابهم؟ بين- (٥)
(ب) ما المراد ب ‘نور’ و ‘كتاب مبين’ في الأية المذكورة؟ بين- (٥)
(ج) فسر قوله تعالى : ‘سبل السلام’ و ‘صراط مستقيم’- (٥)
(أ) আহলে কিতাব: আসমানি কিতাবপ্রাপ্ত জাতি, মূলত ইহুদি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে বোঝানো হয়েছে। তারা যা গোপন করত: তাদের ধর্মগ্রন্থে (তাওরাত ও ইঞ্জিলে) শেষ নবী মুহাম্মাদ (সা.) এর আগমন বার্তা ও গুণাবলি এবং ব্যভিচারের শাস্তি হিসেবে রজম (পাথর নিক্ষেপে হত্যা) এর বিধান ইত্যাদি তারা ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করত।
(ب) نور ও كتاب مبين এর উদ্দেশ্য: অধিকাংশ মুফাসসিরের মতে ‘নূর’ (আলো) দ্বারা নবী মুহাম্মাদ (সা.) অথবা ইসলাম ধর্মকে বোঝানো হয়েছে, কারণ তিনি কুফর ও অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করেছেন। আর ‘কিতাব মুবীন’ হলো সুস্পষ্ট মহাগ্রন্থ আল-কুরআন, যা সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী।
(ج) ‘سبل السلام’ ও ‘صراط مستقيم’: ‘সুবুলুস সালাম’ অর্থ শান্তির পথ, নিরাপত্তা বা জান্নাতের পথ, যা হলো ইসলাম ধর্মের বিধিবিধান। আর ‘সিরাত মুস্তাকীম’ মানে সরল-সঠিক পথ, যা বান্দাকে সরাসরি আল্লাহর সন্তুষ্টির দিকে পরিচালিত করে এবং এতে কোনো বক্রতা নেই।
٧- يا ايها الذين أمنوا اتقوا الله وابتغوا اليه الوسيلة وجاهدوا فى سبيله لعلكم تفلحون- إن الذين كفروا لو ان لهم ما فى الارض جميعا ومثله معه ليفتدوا به من عذاب يوم القيامة ما تقبل منهم ولهم عذاب اليم- يريدون أن يخرجوا من النار وما هم بخارجين منها ولهم عذاب مقيم-
(أ) ما معنى الوسيلة؟ بين حكم التوسل بالأنبياء والأولياء- (٥)
(ب) بين حكم الجهاد وشروطه- (٥)
(ج) بين أهمية التقوى ثم بين مراتبه- (٥)
(أ) সীলাহ (উসিলা) এর অর্থ: মাধ্যম, নৈকট্য লাভের উপায় বা সৎকর্ম। নবী-ওলিদের উসিলা: জীবিত ও নেককার নবী-ওলিদের কাছে গিয়ে দোয়া চাওয়া বা তাদের প্রতি ভালোবাসার উসিলায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা (যেমন: হে আল্লাহ, আপনার নবীর প্রতি আমার ভালোবাসার উসিলায় আমাকে ক্ষমা করুন) শরীয়তে জায়েজ। তবে মৃত বা জীবিত কাউকে ইলাহ বা স্বাধীন ক্ষমতাশীল মনে করে তাদের কাছে সরাসরি কিছু চাওয়া স্পষ্ট শিরক।
(ب) জিহাদের হুকুম ও শর্ত: সাধারণ অবস্থায় জিহাদ ‘ফরজে কিফায়া’ (কিছু মানুষ আদায় করলে সবার পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যায়), তবে মুসলিম ভূখণ্ড আক্রান্ত হলে তা সকলের জন্য ‘ফরজে আইন’ হয়ে যায়। শর্ত: শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির (ই’লায়ে কালিমাতিল্লাহ) নিয়ত থাকা, শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্য থাকা, ইসলামী রাষ্ট্রের শাসকের (আমির) অনুমতি এবং পিতা-মাতার অনুমতি (ফরজে কিফায়ার ক্ষেত্রে)।
(ج) তাকওয়ার গুরুত্ব ও স্তর: তাকওয়া হলো আল্লাহর ভয়ে সব পাপ বর্জন করা, যা সাফল্যের চাবিকাঠি। এর স্তর ৩টি: ১. শিরক ও কুফর থেকে বেঁচে থেকে নিজেকে মুসলিম করা। ২. সকল কবিরা ও সগিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থেকে নেককার হওয়া। ৩. হারাম তো বটেই, সন্দেহজনক ও অপ্রয়োজনীয় বস্তু থেকেও অন্তরকে সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে রাখা (ইকলাস বা ইহসানের স্তর)।
٨- أجب عن واحد مما يلى : (الدرجة= ١٠×١)
(أ) اكتب ترجمة الامام البغوى ومساهمته فى علم التفسير-
(ب) اكتب خصائص معالم التنزيل ومكانته بين كتب التفاسير-
ইমাম বাগভী ও তাঁর তাফসির: তাঁর পুরো নাম আবু মুহাম্মাদ আল-হুসাইন ইবনে মাসউদ আল-বাগভী (মৃত্যু: ৫১৬ হিজরি)। তিনি “মূহিউস সুন্নাহ” উপাধিতে ভূষিত ছিলেন।
বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা: তাঁর বিখ্যাত তাফসির গ্রন্থটি হলো “মাআলিমুত তানজীল”। এটি মূলত তাফসিরে সালাবীর একটি সারসংক্ষেপ, তবে ইমাম বাগভী অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তা থেকে জাল ও দুর্বল হাদিস এবং ভিত্তিহীন ইসরায়েলি রেওয়াতসমূহ বাদ দিয়ে তা বিশুদ্ধরূপে সংকলন করেন। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের আকিদা ভিত্তিক এই তাফসিরটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য, সহজবোধ্য এবং যুগ যুগ ধরে উলামায়ে কেরাম ও ইলমি মহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত।





